বাড়ি সম্পাদকীয় ২৬তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সব

২৬তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সব

35
0


রবীন্দ্রকুমার শীল
(প্রথম পর্ব)
কলকাতার উৎসবের মাস শুরু হয ডিসেম্বরে খ্রিস্টমাস উৎসবকে কেন্দ্র করে। সবাই এই উৎসবের দিকে তাকিয়ে থাকে। তার চেয়ে আর বেশি করে পশ্চিমবঙ্গে তথা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বরা তাকিয়ে থাকে কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের পানে। আসলে কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের একটি ্প্রাণ রয়েছে। জীবন্ত ্প্রাণস্পন্দন এই চলচ্চিত্র উৎসবের মধ্যে দিয়ে শুনতে পাওয়া যায় । কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবকে কেন্দ্র করে এত বিপুল সংখ্যক দর্শকদের ভিড় বিশ্বের আর কোনও চলচ্চিত্র উৎসবে দেখতে পাওয়া যায় কিনা তা বলা খুবই কঠিন। বার্লিন চলচ্চিত্র উত্সব, মস্কো চলচ্চিত্র উৎসব, শিকাগো চলচ্চিত্র উৎসবের নাম থাকতে পারে। কিন্তু কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের যে ্প্রাণ রয়েছে সেটা অনুভব করতে পারা যায় যখন কলকাতার নন্দন চত্বরকে ঘিরে বিপুল চলচ্চিত্র ্প্রেমীদের সমাবেশ ঘটে। আসলে পশ্চিমবঙ্গের মানুষেরা উৎসব ্প্রিয় । তারা গতবছর বেশ কয়েক মাস ধরে করোনাভাইরাসের জন্য ঘর বন্দি হয়েছিল। করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধীরে ধীরে কমতে থাকলে উৎসব ্প্রয় বাংলার মানুষদের আর ঘর বিন্দ করে রাখা সম্ভব হয়নি। তারা ঘর ছেড়ে একেবারে নন্দন চত্বরে গিয়ে উপস্থিত হয়েছে । গত 8 জানুযারি 2021 সালে বিকেল 4টার সময়ে পশ্চিমবঙ্গের ্প্রশাসনিক কারজালয় ‘নবান্ন’ সভা ঘরে এই উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা চলচিচত্র উত্সবকে কেন্দ্র করে বহু গুণীজন উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত ভাষণ দিতে গিযে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কলকাতা ইজ মাই ফ্যামেলি’। ্প্রতি বছর কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে আমি অংশ গ্রহণ করে থাকি। 2011 সাল থেকে এই চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে আসছি। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বের ফিজিক্যালি উপস্থিত থাকতে পারলাম না। কিন্তু আমি সব সময়ে ফিক-এর সাথে থাকি। 2020 সালের নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু পরে ফিফিয়াপের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই অনুষ্ঠান জানুয়ারি মাসে করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। অতিমারি কারণে চলচ্চিত্র শিল্পের ্প্রভূত ক্ষতি হয়েছে । 2020 সালে আমরা বহু মানুষকে হারিয়েছি। সৌমিত্রদা চলে গয়েছেন। অভিনেতা তাপস পাল চলে গিয়েছেন। খুব ভালো লাগল যে কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবকে কেন্দ্র করে আবার বাংলার কুশিলবেরা একত্রিত হয়েছেন। অনুভব সিনহাকে ধন্যবাদ জানাই তিনি সূদুর বম্বে থেকে এখানে এসে উপস্থিত হয়েছেন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক অনুভব সিনহা। শুটিং স্পট থেকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগদান করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের ব্রাণ্ড আম্বাসাডর ভারতীয চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান অভিনেতা শাহরুখ খান। কলকাতা চলচ্চিত্র উত্সবের চেযারম্যান রাজ চক্রবর্তী বলেন, কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসব আয়তনে ছোট হলেও গুণগত মানের দিক দিয়ে এগিযে রয়েছে। সমগ্র চলচ্চিত্র উৎসব কোভিড বিধি মেনে হচ্ছে। ই টিকিটের ব্যবস্থা থাকছে। ২৬ তম ফিক-এর লোলোগ ফিল্ম, শতবর্ষে শ্রদ্ধার্ঘ্য এবং অভিনেতা ্প্রয়াত সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ্প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই তিনটি উপস্থাপনা ্প্রদর্শিত য়। উদ্বোধনী সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন জুন মালিয়া ও পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের ব্রান্ড অ্যামাব্যাসাডর শাহরুখ খান বলেন, সিনেমা যারা ভালোবাসেন তারা কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। ডিজিটাল যুগেও এই উত্সবের আকর্ষনে কোথাও ভাটা পড়েনি। সারা পৃথিবীর মানুষ ভয়ে স্বন্ত্রস্ত। অতিমারি ্প্রকোপে কাঁপছে সারা বিশ্ব। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় যাবতীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ্প্রথম ভাবা হয়েছিল 2020 সালের নভেম্বর মাসে এই উৎসবের আয়জন করা হবে। কিন্তু পরিস্থিতি পর‌্যালোচনা করে অনুষ্ঠানের নির্ঘন্ট পরিবর্তন করা হয়। স্থির হয় 2021 সালের 8 জুনযারি থেকে 15 জানুযারি এই উত্সব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বাংলার মাননীযা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শ ও অনু্প্রেরণা সম্বল করে এ বছরের উৎসবের পথচলা। তিনি কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের কথা বলতে গিয়ে কাব্যিক মন্তব্য করেন, ‘শিকড়ের ডানা হোক ডানার উড়ান’। এই বার্তাই ধ্বনি হচ্ছে উৎসব অঙ্গনে।
২৬ তম কলকাতা চলচ্চিত্র উত্সবে এবারে ৪৫টি দেশ অংশ গ্রহণ করেছে। দেখানো হচ্ছে ১৩১ টি ছবি। যদিও কোˆভিডের কারণে বহু দেশ এবারে অংশ গ্রহণ করতে পারেনি। আসতে পারছেন না আন্তর্জাতিক মানের চলচ্চিত্র পরিচালকেরা। তৱুও তার মধ্যে দিযে কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের মানকে ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। কলকাতা চলচ্চিত্র বিশ্ব সেরা চলচ্চিত্র উত্সবে পরিণত হতে শুরু করে দিয়েছে। সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই ছবি নির্বাচন করা হয়েছে । যেসব ছবি দেখানো হবে তার গুণগত মান রয়েছে। বহু দেশ কলকাতা চলচ্চিত্র উত্সবে সার্থক করে তোলার জন্য এই অতিমারির সমযে এগিয়ে এসেছে। তাদের ছবি অংশ গ্রহণ করেছে কলতাতা চলচিচত্র উৎসবে। উত্সবের উদবোধনী ছবি দেখানো হয়েছিল সত্যজিত্ রায পরিচালিত ‘অপুর সংসার’ ছবিটি। এই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায। এই ছবিতে বাংলার সমাজ চিত্রটি ধরা পড়েছে। পরিচালক ফেদেরিকো ফেলেনি ছবি এবার কলকাতার চলচ্চিত্র ্প্রেমীরা দেখতে পাবেন। তাঁর পরিচালিত ‘লা দোলচে ভিটা’,জুলিযে অব দ্য স্পিরিট’, সহ বেশ কয়টি ছবি কলকাতা চলচ্চিত্র উত্সবে স্থান পেয়েছে। আন্তর্জাতিক ্প্রতিযোগিতায় এবারে যেসব ছবি স্থান পেয়েছে তাদের মধ্যে হল শাম্বালা, গোযিং বালাইন্ড, অ্যাকোরিয়াম, ঘোস্ট ইমেজ, দ্য ্প্রিজিমউশন অব গিল্ট, ব্লাইন্টফোল্ড, স্লেইনক্লাব, দ্য ওয়েট অব প্যারাডাইস, বান্দর ব্যাণ্ড ইত্যাদি। ভারতয় ভাষার ছবি হিসাবে এবারে ্প্রতিযোগিতায যে সব ছবি অংশ গ্রহণ করেছে তাদের মধ্যে হল- দ্য সেফারডেস অ্যাণ্ড দ্য সেভেন সং, গড আন দ্য ব্যালকনি, হোযার ইজ পিঙ্কি, কোসা, অভিযাত্রিক, হাউস অব দ্য অরেঞ্জ ট্রিস, দ্য ফলস আই, মোহনডাস, ত্রিপল হোযামি, বিটারসুইট ইত্যাদি। সিনেমা আন্তর্জাতিক ছবি হিসাবে এবারে দেখানো হচ্ছে – অস্কার ও লিলি, রিভাইলে, দ্য টাইজ, জেনাস পান, দাউ সল্ট নট হেট, মিস মার্কস, ইন বিটুইন ডাইং, লাইলা ও হাইফা, চার্লাটন, দেযার ইজ নো ইভিল, ডিযার কমরেডস, ট্রু মাদার্স, সামার অব ৮৫ , হাই গ্রাউন্ড, নাদিয়া বাটারফ্লাই, দ্য ম্যান হু সোল্ড হিস স্কিন ইত্যাদি। এশিয়ার নির্বাচিত ছবি হিসাবে দেকানো হচ্ছে- নট টুডে, মহানগর, নোনাজোলার কাব্য, ্প্রিয চিনার পাতা,- ইতি সেগুন, থান ফো নগু গাট, ওরু কারাককুম মাত্তানেকাঙ্গাককুমিদাযালি ইত্যাদি ছবি। বাংলা প্যানোরাম ছবি হিসাবে এবছর দেখানোর আয়জন করা হয়েছে। তার মধ্যে রযেে- শূন্য, তিতলি, সহবাসে, মানব মানবি, মিছলি, বিষ, দাযে বিউটিফুল লাইফ ইত্যাদি। স্পেশাল স্ক্রিনিং হিসাবে যে সব ছবি দেখানো হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে – দ্য ইযং অ্যান্ড প্যাসিযোনেট, দ্য ভযে অব দ্য মুন, দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট লা ডোভাইস ভিটা, লা ডোভাইস ভিটা, জুলিযে অব দ্য স্পিরিট ইত্যাদি। এ বছর ভানু বন্দ্যোপাধ্যাযে জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে তাঁর শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে । ‘ভানুময় ভানু’ ছবির পাশাপাশি দেখানো হচ্ছে ‘ভ্রান্তিবিলাস’ ছবিটি। ‘ভ্রান্তিবিলাস’ ছবিটি জন্প্রিয হয়েছিল। শতবর্ষ শ্রদ্ধার্ঘ হিসাবে আরও যেসব ছবি দেখানোর আয়জন করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে – দ্য মারকু্ইস অব ও। হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে এবারে ছবি দেখাানো হচ্ছে- সপ্তপদী। রবি শঙ্করের জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষ্যে দেখানো হচ্ছে- অনুরাধা। অতিরিক্ত শ্রদ্ধার্ঘ্য হিসাবে ছবি দেখানো হচ্ছে- দেখা, গণদেবতা, হুইল চেযার, আকাস কুসুম, মূরাক্ষি কোনি, পদক্ষেপ, বহমান ইত্যাদি। তাপস পালের ্প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে ছবি দেখানোর আযোজন করা হয়েছে দাদার কীর্তি, ৮.০৮ বনগাঁ লোকাল এরমতো উল্লেখযোগ্য ছবি দেখাানো হয়েছে । এবারে পরিচালক কিম কি দুক পরলোকগমন করেছেন। তাঁর একটি ছবি দেখানো হচ্ছে- স্প্রিং, সামার, ফল, ইউন্টার .. অ্যাণ্ড স্প্রিং। পরিচালক ফার্নান্দো সোলানাস ্প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে এবারে ছবি দেখানোর আযোজন করা হয়েছে – সাউথ। ইরফান এর ্প্রতি ্প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে এবারে ছবি দেখানোর আযোজন করা হয়েছে। তাঁর অভিনীত ছবির নাম হচ্ছে- পান সিং তোমর। ঋষি কাপুরের ্প্রতি ্প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে এবারে ছবি দেখানোর হচ্ছে- মুল্ক। নৃত্য শিল্পী অমলা শঙ্করের ্প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে এবারে ছবি দেখানো হচ্ছে- কল্পনা। বাসু চট্টোপাধ্যাযে ্প্রতি ্প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে এবারে ছবি দেখানো হচ্ছে- ছোটি সি বাত। সন্তু মুখোপাধ্যাযে ্প্রতি ্প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে এবারে ছবি দেখানোর আয়জন করা হযেে- হেমন্তের পাখি। এ বছর স্বামী বিবেকানন্দের জন্মমাস উপলক্ষ্যে যুব দিবসের দিন ছবি দেখাানোর আয়জন করা হয়েছে। এই সব ছবির মধ্যে স্থান পেয়েছে- ইউ আর ক্রিযের অব ইযোর ওন ডেসটিনি, স্বামী বিবেকানন্দ, বিরেশ্বর বিবেকানন্দ, বিলের ডায়েরি ইত্যাদি। ছোট ছবি ও তথ্য চিত্র হিসাবে যে সব ছবি দেখানোর আযোজন করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে – বিনিময, সালানা জলসা, চিকেন তেহরি, নিউবন পোয়েরি, এনস্পেট অ্যান্ট, স্টিল অ্যালিভ, ওকিযাগারি, ইতি কুন্তি, দুস্ক, ওয়েলকাম অ্যাঙ্কল, খিসা, ন্যাকেড ভযে, ভাইরাস, আশাওন কে পার, জীবিত ও মৃত, নাথিং হ্যাপেন্ড, জলতরঙ্গ, সাধুরবেশে, বলাই, অলফা দা, ভব নদীর পারে, ছেড়া তমশুক, ড্যান্সিং ইউথ নেচার, অন দ্য ব্রিঙ্ক-সিজন-2 ব্যাটস, হাইওযে অব লাইফ. দ্য মিউজিযাম ম্যান, নিরঞ্জন ্প্রধান-জার্নি অব দ্য স্কাল্পচার, অদ্বিতীযা, হু সেইস দ্য লেপচাস আর ভেনেসিং ইত্যাদি। ছোট ছবি ও তথ্য চিত্রের প্যানারোমা ছবি- হোলি রাইটস. গ্রেস, বাউন্ড বাই আস, ইউ দ্য বোরাকেন কগস ইন দ্য মেসিন, কলকাতা ডায়েরি, ইকো ফ্রেন্ডলি গঙ্গাসাগর মেলা, অ্যানোনিমাস, দ্য রুফটপ – দ্য স্টোরি অব এ সাইকোথেরাপিস্ট অ্যাণ্ড এ রেপড গার্ল, মাই আনব্লাড ব্রাদার, লেছকা দানগির কথা, ল্যাপটপ ও লকডাউন ফিল্ম, আর্টিস্ট, ছোটক্ষোভ, জানাইকা, কারবালা কথা, চক ছগে ইমা, কোল্ড ফাযার ইত্যাদি। কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের সঙ্গে যারা জড়িত রয়েছেন তাঁদের ধন্যবাদ না দিয়ে পারা যাচ্ছে না। অতিমারির সময়ে যেভাবে নিষ্ঠার সঙ্গে ছবি সংগ্রহ করেছেন এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও পরিচালকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে দিয়েছিলেন তা এক কথা বলা যেতে পারে ছবির ্প্রতি ্প্রেম ভালোবাসার স্নেহকে বহন করে থাকে। আসলে বাংলার সংস্ৃ্কতি মনে একটি বিশ্ব পরিচয় রয়েছে। তার দেখা মিলল এবারে ২৬ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সবের সময়ে বাংলার মানুষেরা এগিয়ে এসেছেন এই চলচ্চিত্র উৎসবকে সফল করতে। (ক্রমশ)

Loading...