বাড়ি ভ্রমণ ১০ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য ফের খুলবে পবিতরা বন্যজীবন অভয়ারণ্য

১০ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য ফের খুলবে পবিতরা বন্যজীবন অভয়ারণ্য

14
0

গুয়াহাটি, ৮ নভেম্বর : আগামী ১০ নভেম্বর দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য ফের খুলে দেওয়া হবে পবিতরা বন্যজীবন অভয়ারণ্য। টানা সাত মাস পর এই অভয়ারণ্য খুলবে। করোনা অতিমারির সংক্ৰমণ রোধ এবং বন্যার জন্য নির্ধরিত সময়ে মাৰ্চ মাস থেকে বন্ধ পবিতরা অভয়ারণ্য পৰ্যটকদের জন্য বন্ধ ছিল।

জানা গেছে, চলতি বছর কয়েকবার বন্যার কবলে পড়ে পবিতরা অভয়ারণ্যের জীবজন্তু, গাছগাছলি সহ ফরেস্ট ক্যাম্পগুলি বিস্তর ক্ষতিগ্ৰস্ত হয়েছিল। অন্যদিকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) বিরুদ্ধে সংগঠিত আন্দোলনের জন্যও চলতি বছরের জানুয়ারি-ফেব্ৰুয়ারি মাসে ওই অভয়ারণ্যে অতি কম সংখ্যক দেশের অন্য প্রান্তের পাশাপাশি বিদেশি পৰ্যটক এসেছিলেন। সিএএ বিরোধী আন্দোলন এবং করোনা অতিমারির দরুন পবিতরা অভয়ারণ্যের রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে বহু লোকসানের সম্মুখিন হয়েছিল।
ব্ৰহ্মপুত্ৰের দক্ষিণ পাড়ে গুয়াহাটি থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে মরিগাঁও জেলায় অবস্থিত পবিতরা অভয়ারণ্যের অবস্থান। অসমের রাজধানী গুয়াহাটি থেকে সড়ক পথে প্রায় ৪৮ কিলোমিটার দূরে পবিতরা অভয়ারণ্যে বন্যজন্তু, নানা প্রজাতিতে ভরপুর পাখির বাস। ৩৮.৮ বর্গকিলোমিটার জুড়ে এই অভয়ারণ্যের মনোরম দৃষ্টনন্দন পরিবেশ উপভোগ করতে ফি বছর পর্যটকের ভিড় থাকে। এর ১৬ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বাস ১০২টির বেশি এক শৃঙ্গের গণ্ডার, অন্য অংশে ২,০০০-এর বেশি বুনো মোষ, সহস্রাধিক বুনো শূকর ও হরিণ এবং গোটা অভয়ারণ্য জুড়ে রয়েছে নানা প্রজাতির বন্যজন্তু ও পাখির বসবাস। কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের পরই পবিতরা অভয়ারণ্যে সৰ্বাধিক গণ্ডার রয়েছে।
১৯৭১ সালে বন্যজন্তুতে ভরপুর এই এলাকাকে সংরক্ষিত বনাঞ্চল বলে এবং ১৯৮৭ সালে একে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।

Loading...