বাড়ি রাজ্য স্থায়ীকরনের দাবীতে দুর্গাপুরে অবস্থান বিক্ষোভ বস্তিবাসীদের

স্থায়ীকরনের দাবীতে দুর্গাপুরে অবস্থান বিক্ষোভ বস্তিবাসীদের

117
0

দুর্গাপুর, ১৮ নভেম্বর : দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে বসবাস করেও পাট্টা না পাওয়ার অভিযোগ। আর তার প্রতিবাদে সরব পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর ১ নং ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর, ধোবীঘাট, মধুপল্লি সহ সাতটি বস্তির বাসিন্দারা। দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল সংলগ্ন বস্তি কল্যান সমিতি গঠন করে আন্দোলনের রাস্তায় নামল। সোমবার দুর্গাপুর সিটি সেন্টারে অবস্থান বিক্ষোভে বসল বস্তিবাসী। দুর্গাপুর পুরসভার ১ নং ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর, মধুপল্লী, ধোবীঘাট, খাটগড়িয়া বিজুপাড়া বস্তি। প্রায় হাজার দশেক পরিবারের বসবাস। বেশীরভাগই দিনমজুর পরিবার। নাগরিক পরিষেবায় পানীয় জল, বিদ্যুত পৌঁছে গেছে। পেয়েছে রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড, আধার কার্ড। অভিযোগ নাগরিক পরিষেবা জুটলেও জোটেনি মৌলিক অধিকার বসত জমির পাট্টা। আর পাট্টা না পাওয়া বঞ্চিত প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা থেকে ব্যাঙ্ক ঋণের। আর তাই স্থায়ীকরণের দাবীতে শিল্পাঞ্চল বস্তি কল্যান সমিতি গঠন করেছে বাসিন্দারা। ওই সংগঠনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে জনমত গঠন করছে এলাকায়। শুরু করেছে মিছিল মিটিং। এবার পাট্টার দাবীতে দুর্গাপুর সিটি সেন্টারে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করল বস্তির বাসিন্দারা।প্রায় হাজারখানেক বাসিন্দা দুর্গাপুর মহকুমাশাসক বিল্ডিংয়ের কাছে অবস্থান বিক্ষোভে বসে। এবং মহকুমাশাসকের কাছে স্মারকলিপিও জমা দেয়।সংগঠনের সম্পাদক কৃষ্ণ মাল জানান,” ১৯৯৪ সালে ওই বসত জমিটি দুর্গাপুর ইস্পাত কর্তৃপক্ষকে শর্ত সাপেক্ষে রাজ্য সরকার দিয়েছে। ইস্পাত কর্তৃপক্ষ জমিটি এখনও পর্যন্ত কোন কাজে ব্যাবহার করেনি। বসত জমিটি স্থায়ীকরনের দাবী বহুবার রাজ্য সরকারকে জানিয়েছি। কোন সাড়া পাওয়া যায়নি প্রশাসনের। আর তার মাশুল গুনতে হচ্ছে আমাদের। অসহায় হতদ্ররিদ্র তবুও জমিজটে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাড়ী পাই না। ব্যাঙ্কের কোনরকম ঋণ পাই না। তাই আমরা আন্দোলনের রাস্তায় নেমেছি।” বাসিন্দাদের  দাবী,” দুর্গাপুর ইস্পাতের জমি ফিরিয়ে নিয়ে বেরসকারী, হাসপাতাল রিয়েলএস্টেটকে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি শহরের অন্যত্র পাট্টাও দেওয়া হচ্ছে। অথচ আমাদের দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের প্রতি দ্বিচারিতা করা হচ্ছে।” এদিন বিক্ষোভকারীরা জানান,” পাট্টা না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। আগামীদিনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।” স্থানীয় ১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শিপ্রা সরকার জানান,” বিষয়টি রাজ্য ভুমি রাজস্ব দফতরে জানিয়েছি। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকার চিন্তাভাবনা করছে।”

Loading...