বাড়ি অন্যান্য সাতসকালে পাখিদের কলকাকলিতে ঘুম ভাঙে থানার পুলিশ কর্মীদের।

সাতসকালে পাখিদের কলকাকলিতে ঘুম ভাঙে থানার পুলিশ কর্মীদের।

139
0

ইসলামপুর: বাড়িতে অতিথি এলেই তাদের নিয়ে যাওয়া হয় থানায়।তওবা তওবা।এ আবার কেমন কথা।হ্যাঁ,শুনতে একটু অন্যরকম মনে হলেও এটাই যেন সত্যি।না,অতিথিরা কোনও অপরাধী নয় বরং তারা পর্যটক হয়েই আসেন সেখানে। কারণ থানা যেন হয়ে উঠেছে পক্ষী নিবাস।স্থানীয় মানুষদের কাছে পর্যটন কেন্দ্রও বটে।এমনই এক থানা উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর।কয়েক বছর ধরে থানা চত্বরেই বিভিন্ন গাছে গড়ে উঠেছে পরিযায়ী পাখিদের আস্তানা।চারিদিকে পুলিশ প্রহরার মধ্যে ওরা বেশ নিশ্চিন্তেই আছে।কারণ সেখানে শুধুমাত্র পাখিদের সৌজন্যেই সাধারণ মানুষের তরফে কোনও কর্মসূচি থাকলেও উচ্চস্বরে কোনও কিছু বাজানো যাবে না।এমনকি পাখিদের কোনও ভাবেই উপদ্রব করা যাবেনা।থানা কতৃপক্ষের এমন নিয়মের কথা জানে সবাই।সাতসকালে পাখিদের কলকাকলিতে ঘুম ভাঙে থানার পুলিশ কর্মীদের।কয়েক মাসের জন্য ওরা অতিথি হয়ে আসে।আবার ফিরে যায় স্বভূমে।সাদা পরিযায়ী পাখিদের জন্য থানার সৌন্দর্য্য কিছুটা হলেও বদলে গেছে।থানার ওসি বিশ্বনাথ সিং জানান,পাখিদের বিষ্ঠার গন্ধে একটু সমস্যা হলেও তারা তা মেনেই নিয়েছেন পাখিদের স্বার্থে।পরিবেশের স্বার্থে।থানার অন্যান্য আবাসিকরাও এই সমস্যা মেনেই পাখিদের যেন আপন করে নিয়েছেন।তারাও পাখিদের গতিবিধির উপর নজর রাখছেন সবসময়।ওদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সেদিকে সকলের নজর রয়েছে।এই নিরাপত্তার বলয়ের মধ্যে থাকা পাখিদের সংখ্যা বাড়ছে ফি বছর।ধীরে ধীরে ওদের আস্তানা ছড়িয়ে পড়ছে ওই চত্বরের সমস্ত গাছে।পরিবেশের ভারসাম্য বজিয়ে রাখতে হলে বাঁচিয়ে রাখতে হবে পাখিদের।এমনই সচেতনতার বার্তা থানার পুলিশ কর্মী ও আধিকারিক রা ছড়িয়ে দিচ্ছেন সমস্ত মানুষের মধ্যে।থানার পুলিশ আধিকারিক জানান,ঘন সবুজ গাছে গাছে সাদা পাখিদের আনা গোনার দৃশ্য সত্যিই সুন্দর।তা আর অন্য কোনও থানায় আছে কিনা তা বলা মুশকিল।ওই হাজারও পাখি সম্ভবত হর্ন বিল স্টর্ক বলে জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

Loading...