বাড়ি সংস্কৃতি

সংস্কৃতি

‘বাংলার নকশিকাঁথার’ সাতকাহন

কলকাতা, ২৪ সেপ্টেম্বর : এক অঘোষিত পুজোর সূচনা হল শুক্রবার । গগণেন্দ্র প্রদর্শনশালায় আজ ‘বাংলার নকশিকাঁথা’ নিয়ে প্রদর্শনী শুরু হয়। অনুষ্ঠান শুরুর আগে বাংলার ধুনুচি নৃত্য সংস্থা পরিবেশন করে তাঁদের নৃত্যশৈলী। ঢাকের আওয়াজের সাথে ধুনোর গন্ধের মেলবন্ধন বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছিল পুজো আর দেরি নেই। সূচনা যদি এত হার্দিক হয় তাহলে বোঝাই যাচ্ছে মূল অনুষ্ঠান কতটা মনোরম হবে।
বাংলার পরম্পরার অন্যতম সেরা ঐতিহ্য এই নকশিকাঁথা। শুক্রবার যা নিয়ে গগণেন্দ্র প্রদর্শনশালায় ‘বাংলার নকশিকাঁথা’ শিরোনামে প্রদর্শনী শুরু হয়। মা ঠাকুমার মুখে গল্প শোনা নকশিকাঁথা দেখার সুযোগ পাবেন বহু মানুষ, রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের কল্যানে। প্রদর্শনী চলবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। দুপুর ২টো থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত থাকবে প্রবেশাধিকার।
নকশা করে বিভিন্ন গল্প ফুটিয়ে তোলা হয় এই ধরনের কাঁথার মধ্যে। সূক্ষ সেলাইয়ের মাধ্যমে অনবদ্য রূপ পায় সেগুলি। তেমনই একজন বসিরহাটের সাহিদা বেগম। তিনি দেখান কাঁথার ওপরে আদিম থেকে সভ্য মানুষ হওয়ার বিভিন্ন পর্যায়ের করা নকশা।
বাদ যায়নি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ওয়েব মাল্টিমিডিয়ার এক ছাত্রীও। ওয়েব ডিজাইন করতে করতে তাঁর হঠাৎই আগ্রহ জন্মায় এই কাঁথা নকশা করার। যেমন ভাবা তেমন কাজ। শুরু করে দিলেন নকশার কাজ। এখানে বলা বাহুল্য, শুধু কাঁথা নয়, রয়েছে বিভিন্ন কাঁথা স্টিচের শাড়ি, কূর্তি, পাঞ্জাবি, দোপাট্টাও।
কারা কেনে এই ধরণের কাঁথা? এক শিল্পী জানান, বিভিন্ন হস্তশিল্প মেলায় তাঁরা এই সম্ভার নিয়ে যান। বিভিন্ন রাজ্যেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তাঁদের ক্রেতারা। শুধু তাই নয় , কারও তত্ত্বাবধানে কাজ করে ১০০০ জন তো কারও আবার ১৫০০ জন।
একটি কাঁথা বানাতে কত সময় লাগে? কোন্নগরের শিল্পী পরাগ বসু জানান, কমপক্ষে ৮মাস লাগে একটি কাঁথা বানাতে। তিনি আরও বলেন, মানুষ এখন ব্যবহারের জন্য নয় বরং ঘর সাজানোর জন্য সংগ্রহ করছে এই কাঁথা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এই নকশিকাঁথা নিয়ে গবেষণাকারী রুনু সামন্ত, নকশিকাঁথার কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবন হয়ে পড়েন তিনি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানের অন্যতম আয়োজক মধুছন্দা সেন।

Product / Service Categories

Project Name

Talk about this portfolio piece--who you did it for and why, plus what the results were (potential customers love to hear about real-world results). Discuss any unique facets of the project--was it accomplished under an impossible deadline?--and show how your business went above and beyond to make the impossible happen.