বাড়ি ফিরে দেখা শ্রীশ্রীশ্যামসুন্দর জীউর মন্দির

শ্রীশ্রীশ্যামসুন্দর জীউর মন্দির

318
0
 . বেচু চ্যাটার্জি স্ট্রিটের ওপরে এই মন্দিরটির অবস্থান| এই মন্দিরের ভক্তের সংখ্যা খুবই কম| কিন্তু মন্দিরটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব রযেে|  মন্দিরের সমানের দিকে ফলকে লেখা রযেে ‘‘শ্রীশ্রীশ্যামসুন্দর জীউর মন্দির ঃ স্বঃ গিরিশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায ও তস্য পত্নী শ্রীমতি শীতলাদাসী দেবীর স্মৃতিরক্ষণার্থে এই মন্দির ্প্রতিষ্ঠিত হইল| সন ১৩৩৩ সাল ৩০ কার্তিক’| মন্দিরটি ্প্রতিষ্ঠা হযেিল ৯২ সাল পূর্বে| জানা যায, রাধাকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায পরিবারের ্প্রাচীন কুলবিগ্রহ| আগে মন্দিরের পিছনে অবস্থিত বাড়িতে পুজো হতো|  এই মন্দিরে ঠাকুর রামকৃষ্ণদেব যাতাযাত করতেন| তিনি তখন ছিলেন গদাধর| ঠাকুর রামকৃষ্ণদেবের দাদা রামকুমার চট্টোপাধ্যায এই বাড়িতে টোল খুলেছিলেন| সেই সঙ্গে তিনি চট্টোপাধ্যায পরিবারের বিগ্রহদের পুজোও করতেন| তিনি ভাই গদাধরকে নিযে এসে এই বাড়িতে এক বছর বসবাস করেছিলেন| দাদা যখন গ্রামে যেতেন তখন গদাধর এই বাড়ির বিগ্রহের পুজো দাযিত্ব গ্রহণ করতেন| পরে রামকুমার রানি রাসমণির ্প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরের পুরোহিত হযে চলে গেলে ভাই গদাধরকে নিযে করে নিযে যান সেখানে| সেই কারণে এই মন্দিরটি ঠাকুর রামকৃষ্ণদেবের ্প্রথম লীলাস্থান  রূপে চিহ্নিত| জানা যায, সেই সূত্র ধরেই এখানে ্প্রতিষ্ঠিত হযেিল ‘শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ সংঘ’| পরে তা উঠে যায রাজা দিগম্বর মিত্রের বাড়িতে| রাজা দিগম্বর মিত্রের বাড়িতে এখনও এই সংঘটি রযেে| এই গৃহতে ্প্রতিষ্ঠিত হযেে ‘ঝামাপুকুর শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ সংঘ’| এই মন্দিরের গর্ভগৃহে রযেে রাধাকৃষ্ণের যুগল মুর্তি| অষ্টধাতু নির্মিত এবং সুসজ্জিত| এখানে ্প্রতিষ্ঠিত রযেে শিবলিঙ্গ, নাযারণ শিলা, গোপাল, নৃসিংহদেব, বৃন্দাবনেশ্বর ও অনন্তদেবের| দেবী মঙ্গল চণ্ডী এবং দেবী কালীর দুটো ঘট এখানে ্প্রতিষ্ঠিত রযেে| নিত্যপুজোর পর এখন থেকে ভোগ বিতরণ করা হযে থাকে| সন্ধ্যারতিও করা হয| সম্পাদকীয ঃ বাংলাদেশের ভোটএবারে জাতীয নির্বাচনে আওযামি লিগ জিতে গেলে লণ্ডন থেকে খালেদা জিযার পুত্রকে বাংলাদেশে ফিরিযে নিযে এসে তার বিচার করতে চান দেশের বর্তমান ্প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা| আওযামি লিগ আবার সরকার গঠন করলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করা হবে বলে জানান তিনি| তিনি বলেন, বাংলাদেশকে জঙ্গিদের শিবির হতে দেবো না| জঙ্গিদের স্বদেশ থেকে বিতারিত করা হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন| ভারতের সঙ্গে জঙ্গি বিতারণ করার ব্যাপারে সহযোগিতা পাবেন বলে তিনি আশা রাখেন|  বিশ্ব সন্ত্রাসবাদী বিরোধী শিবিরে বাংলাদেশ যোগদান করতে ইচ্ছুক| আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা হযেে বলে তিনি জানান| তিনি বলেন, মধ্য ্প্রাচ্যের ইসলামিক দেশগুলোও সন্ত্রাসবাদী বিরোধী| ইসলামের নাম করে যারা সন্ত্রাস সৃষ্টি করতে চাইছে তারা ইসলাম বিরোধী কাজ করছে| তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর হিম্মত রাখে বাংলাদেশ| এদিকে  বিএনপির নেতা খালেদা জিযা এখনও পর‌্যন্ত কারাগারে| তিনি সেখান থেকে দলকে কোনও রাজনৈতিক নির্দেশ দিতে পারছেন না| ফলে বিএনপির বাংলাদেশে কতটা আসন সংগ্রহ করতে পারবে তা কিন্তু এখনও বলা যাচ্ছে না| তবে বাংলাদেশে আবার আওযামি লিগ সরকার গঠন করতে চলেছে সেটা পরিস্কার হযে গিযেে| ভারত সরকার বাংলাদেশের ভোটের দিকে তাকিযে রযেে| আওযামি লিগ যদি বেশি আসন পেযে সরকার গঠন করতে পারে তাহলে নিরাপত্তা বিষযক চুক্তিকে আরও শক্তিশালী করা হবে বলে জানতে পারা গিযেে| বাংলাদেশের ্প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে ব্যবসাযিক সুসম্পর্ক তৈরি করতে ইচ্ছুক| বাংলাদেশের আর্থিক অবস্থাকে শক্তিশালী করতে ভারতের সহযোগিতার ্প্রযোজন| পাশাপাশি দেশগুলোর সক্রিয সহযোগিতা না পেলে বাংলাদেশ আর্থিক দিক দিযে শক্তিশালী হতে পারবে না সেটা পরিস্কার করে দিযেেন ্প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা| বাংলাদেশকে স্বাধীন করার ব্যাপারে ভারতের সক্রিয সহযোগিতার কথা কখনই ভুলবেন না আওযামি লিগ| ভারতের ্প্রাক্তন ্প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধি না থাকলে বাংলাদেশ কখনই স্বাধীনতা লাভ করতে পারতো না সেটা পরিস্কার করে ভারতীয সাংবাদিকদের জানান ্প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা| বিএনপি এবং জামাতে ইসলাম জানে যে তারা এবারে ভোটে জিততে পারবে না| সেই কারণে তারা রাজনৈতিক সন্ত্রাস সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে| বাংলাদেশে রাজনৈতিক সন্ত্রাস যাতে কোনও রাজনৈতিক দল করতে না পারে তার দিকে বিশেষ নজর রেখেছে নিরাপত্তা বাহিনী| এরা ভোট বানচাল করার চেষ্টা করতে পারে| শত্রুদেশগুলো বাংলাদেশের ভোটে যাতে আওযামি লিগ আসতে না পারে তার জন্য টাকাও ্প্রচুর ঠালছে বলে তিনি জানান| কিন্তু আওযামি লিগ আবার ক্ষমতায আসবে| গোটা বাংলাদেশে এখন আওযামি লিগের ্প্রতীক নৌকার ব্যানার চোখে পড়ে| বিএনপির ধানের শি একেবারে নেই বলা যায| এদিকে বিএনপির দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হযেে যে তাদের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলছে আওযামি লিগের সমর্থকেরা| পাকিস্তানের দূতাবাস থেকে আইএসআইযে তত্পরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ করছে আওযামি লিগের নেতারা| 
বাংলাদেশের ওপরে রাজনৈতিক ্প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে পাকিস্তান সরকার। কিন্তু সেটা আর সম্ভব হবে না। আওযামি লিগ তা কখনই হতে দেবে না। পাকিস্তান এখনও পর‌্যন্ত কোনও ক্ষমা চাযনি। তারা যেভাবে বাংলাদেশের নাগরিকদের ওপরে অত্যাচার করেছিল অতীতে তার জন্য তারা দুঃখ ্প্রকাশ করেনি। পাকস্তান সরকারকে কোনও দিনই বাংলাদেশের নাগরিকেরা সমর্থন দেবে না। বাংলাদেশের ওপরে অন্যায অবিচার করেছিল পশ্চিম পাকিস্তান। তখন বাংলাদেশ পূর্ব পাকিস্তান নামে ভূগোলের পাতায চিহ্নিত ছিল। এখন পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন বাংলাদেশ নামে পরিচিত। পাকিস্তান সরকার চায না ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকুক বাংলাদেশের সঙ্গে। ভারত এবং বাংলাদেশকে কোনঠাসা করে রাখার চক্রান্ত শুরু করেছে পাকিস্তান সরকার। বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদীদের উত্সাহ দিচ্ছে বিদেশি শক্তি। তাদের কাছে আবেদন রেখেছেন ্প্রধানমন্ত্রী যেন তারা এ ব্যাপারে বিরত থাকে। বাংলাদেশকে আর্থিক দিক দিযে শক্তিশালী করতে উত্সাহিত করুক এবং এগিযে আসুক। বাংলাদেশে ব্যবসা বাণিজ্য করার জন্য ্প্রযোজনীয পরিবেশ তৈরি করে দেওযা হবে। বিদেশি শিল্পপতিদের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাদের দরজা উন্মুক্ত করে রেখে দিযেে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বেশ কযেটি বিষযে মতানৈক্য না থাকলেও পরবর্তীকালে তা আলাপ আলোচনার মধ্যে দিযে সমাধান করা হবে বলে জানান ্প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ভারত বরাবরই বাংলাদেশের পরম বন্ধু। বিপদে আপদে ভারত বাংলাদেশের পাশে এসে দাঁড়ায। বারতের সঙ্গে বিশেষˆ করে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে ইলিশ রপ্তানির বিষযটি পরিস্কার হযে যাবে দ্রুত। জল নিযে দুই দেশের মধ্যে যে মতবিরোধ রযেে তা ভবিষ্যতে ঠিক হওযার সম্ভাবনা দেখছেন ্প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি জানান, পানি পেলেই ইলিশ রপ্তানির কাজ শুরু হযে যাবে। ছিটমহল অঞ্চল বন্টন নিযে কোনও ঝামেলা হযনি। পানি নিযে ভবিষ্যতে কোনও ঝামেলা হবে না বলে আশা রাখেন ্প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।                                                                                
Loading...