বাড়ি রাজ্য জলপাইগুড়ি লক ডাউনের ফলে কর্মহীন হয়ে পড়েছে বিভিন্ন পেশার মানুষ। অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির...

লক ডাউনের ফলে কর্মহীন হয়ে পড়েছে বিভিন্ন পেশার মানুষ। অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন এই শ্রমজীবী মানুষ খাদ্যের অভাবে আজ আত্মহত্যার পথও বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছে।

27
0

জলপাইগুড়ি , ২২ মে . লক ডাউনের ফলে কর্মহীন হয়ে পড়েছে বিভিন্ন পেশার মানুষ। অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন এই শ্রমজীবী মানুষ খাদ্যের অভাবে আজ আত্মহত্যার পথও বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছে। জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের খড়িয়া  অঞ্চলের নাজির পাড়ার বাসিন্দা বিমল পাল(৪৫) পেশায় রিক্সা চালক তার স্ত্রী গৃহ পরিচালিকার কাজ করে সংসার চালিয়ে সংসার চালান । তার পরিবার খাদ্য সুরক্ষা আইনের আওতার  বাইরে। বারংবার রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করেও কার্ড পায় নি। কাজ করে দুই সন্তানকে নিয়ে কোন ক্রমে সংসার চালাচ্ছিলেন। কিন্তু লক ডাউনের ফলে পুরো কাজ বন্ধ হয়ে দিশে হারা হয়ে পরেন । তার পরিবার সুত্রে জানা যায় তিনি  পঞ্চায়েতের কাছে রেশনের চালের আবেদন নিয়ে গেলেও তার কাছ থেকে কোন রকম সাহায্য পায় নি ।তার স্ত্রীর কোন কাজ নেই । সংসারের সবাই অনাহারে দিন কাটাতে কাটাতে হতাশাগ্রস্ত হয়ে বিমল রায় বৃহস্পতিবার আত্মহত্যা করেন । এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ আজ পান্ডাপাড়া কালীবাড়ি এলাকায় লক ডাউনের বিধি মেনে পোস্টার হাতে বিক্ষোপ দেখান। তারা দাবি করেন খাদ্য সুরক্ষা আইন মোতাবেক সকলের জন্য খাদ্যের ব্যবস্থা করতে হবে ।মৃত বিমল রায়ের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। বিক্ষোপে সামিল   পুলক রায় পেশা মাছ বিক্রেতা বলেন সেও রেশন কার্ড না থাকার কারণে এই লক ডাউনে কোন রকম রেশন পান নি । এদিকে কাজ নেই কিভাবে সংসার চলবে বুঝতে পারছেন না । তিনি প্রশ্ন তুলেন রাজ্য সরকার বলছে রাজ্যে নাকি দশ কোটির মতো মানুষ রেশন পেয়েছে তাহলে আমরা দশ কোটির বাইরে । বিক্ষোভকারীদের এক জন পীযুষ মিশ্র বলেন দেশে একটা খাদ্য সুরক্ষা আইন আছে ।প্রত্যেক গরিব মানুষ এই আইনের আওতায় খাদ্য সামগ্রী পাওয়ার অধিকার আছে তাহলে কেন বিমল রায়দের খাদ্যের অভাবে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হবে । সরকারকে আরো সংবেদনশীল হয়ে সব গরিব মানুষের কাছে খাদ্য পৌছে দিতে হবে ।এই বিক্ষোপে সুনিল রায় সুভাষ রায় শম্ভু সূত্রধর কৃষ্ণ সেন সহ আরো অনেকে অংশ গ্রহণ করে।

Loading...