বাড়ি অন্যান্য লক ডাউনের জেরে মাস পয়লায় রেশন নিতে ভিড় জলপাইগুড়ি রেশন দোকান গুলিতে।

লক ডাউনের জেরে মাস পয়লায় রেশন নিতে ভিড় জলপাইগুড়ি রেশন দোকান গুলিতে।

95
0

জলপাইগুড়ি , ১ এপ্রিল ।সামাজিক দুরত্ব কেউ মানলো কেউ মানলো না। কেউ রেশন পেলো কেউ আবার পেলো না। লক ডাউনের জেরে মাস পয়লায় রেশন নিতে ভিড় জলপাইগুড়ি রেশন দোকান গুলিতে। গনবন্টন ব্যাবস্থায় উপকৃত হবে জেলার প্রায় ২৩ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষরেশন বিলির সময় বাড়লেও সকাল থেকেই জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন রেশন দোকানে যথেষ্ট পরিমান ভিড় ছিলো। এদিন কেবলমাত্র ডিজিটাল কার্ড হোল্ডার দের রেশন দেওয়া হয়েছে। আর এই নিয়ে কোথাও বিভ্রান্তি কোথাও আবার উত্তেজনা তৈরী হয়েছে। পয়লা এপ্রিল থেকে বিনামূল্যে চার ধরনের কার্ড হোল্ডারদের রেশন দেওয়া শুরু হয়েছে। বুধবার সকালে জলপাইগুড়ির খড়িয়া অঞ্চল অন্তর্গত বিবেকানন্দ পল্লীর একটি রেশন দোকানে এই সমস্যা দেখা দেয়। ক্রেতাদের মধ্যে কেউ কেউ অভিযোগ করেন পুরনো কার্ডে কোন রেশন মিলছে না। তাই অনেককেই খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। তারাই রেশনের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান।পুরোনো কার্ডে রেশন না পেয়ে জেলার বেশির ভাগ রেশন দোকানেই আদৌ রেশন পাবে কি না এই নিয়ে কম বেশি বিভ্রান্তি ছড়ায়।ঘটনায় সীমা রায়, রাধাচরন রায়েরা জানান তাদের পরিবারের সবার ডিডিটাল কার্ড নেই তাই  রেশন নিতে এসে সমস্যায় পড়ে গেছেন। আগে থেকে জানলে তারা আজ আসতেন না বলে জানান।ঘটনায় ফুড ইন্সপেক্টর মানিক দাস জানান সবকিছু নিয়মানুসারেই হচ্ছে। পুরনো কার্ডগুলির ক্ষেত্রে  আগামী  সপ্তাহে রেশন দেওয়া হবে। তাই দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই বলে জানান তিনি।

ঘটনায় জেলা খাদ্য নিয়ামক অমৃত ঘোষ টেলিফোনে জানান আজ থেকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া শুরু হয়েছে। এক সাথে বেশি মানুষ যাতে না আসে তার জন্য রেশন দোকান গুলি খোলা রাখার সময় বাড়িয়ে দিয়ে সকাল ৭ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত করা হয়েছে। এর ফলে চলতি মাসে জলপাইগুড়ি জেলার  প্রায় ২৩ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষ উপকৃত হবেন। নির্দেশিকা বুঝতে না পেরে কোথাও কোথাও সমস্যা হয়েছে। পরে আমাদের আধিকারিকেরা যাওয়ায় তা মিটে গেছে।ওয়াকিবহাল মহলের ধারনা কবে এবং কি হিসেবে বা কি পরিমানে একজন রেশন কার্ড হোল্ডার খাদ্য সামগ্রী পাবেন তা নিয়ে যদি সচেতনতা প্রচার বেশি করে করা হোতো তবে সাধারন মানুষের এই ধরনের ভোগান্তি এড়ানো যেতো।

Loading...