বাড়ি সম্পাদকীয় ভেঙেছ দুযার, এসেছ জ্যোতির্ময় তোমারই হোক জয়

ভেঙেছ দুযার, এসেছ জ্যোতির্ময় তোমারই হোক জয়

224
0


আজ তেইশে জানুযারী“  তাঁর শত চতুর্বিংশতিতম জন্মদিবস| ক্মণ্ডঞ্চঞ্চঞণড্ড টণ ঢণত ঞ্জটত্তঞ্চঢ,টত টণ তজ্বঠঞ্চঢ.ক্মণ্ডঞ্চঞ্চঞণড্ড ঢঞ্চত্তঞ্চণ্ড ঝণত্মডঞ জ্রঞ্চ জ্ব ঞ্জটঞ্ছত .“ আজ থেকে প্রায আটাত্তর বছর আগে আজাদ হিন্দ  রেডিও বার্লিন থেকে ইথারে ভেসে আসা যে  কন্ঠে ধ্বনিত হযেিল চরম সংগ্রামের এই আহ্বান , প্রায এক বছর ব্যবধানে   দক্ষিণপূর্ব  এশিযার রণভূমে  দাঁড়িযে মাতৃভূমির স্বাধীনতার দূর্দম লড়াইযে  সাথীযোদ্ধাদের প্রতি সে যোদ্ধা“সন্ন্যাসীর কম্বু কন্ঠের    আহবান ধ্বনিত হযেিল এভাবে “ শোন ,ভারতবর্ষ আমাদের ডাকছে“ভারতের রাজধানী দিল্লী আমাদের ডাকছে “কোটিকোটি স্বদেশবাসী আমাদের ডাকছে | রক্তের ডাক এসেছে | ওঠো সময নষ্ট করো না | অস্ত্র হাতে নাও| সামনে আমাদের পথপ্রদর্শকদের প্রস্তুত পথ| এই পথেই আমরা এগিযে যাব……দিল্লীর পথ স্বাধীনতার পথ|চলো  দিল্লী!
 এই প্রবাদপুরুষ হলেন  পৃথিবীর সমস্ত স্বাধীনতাকামী সংগ্রামীজনগণের অভীপ্সার যেন মূর্ত প্রতীক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু যিনি বিশ্বকবির দ্বারা অভিধাপ্রাপ্ত হযেিলেন দেশনাযক রূপে |
 কবির  আশীর্বাণীতে বাঙময হযেিল যেন জাতির অন্তরের আবেগ ও আস্থা এভাবে ঃ  বাঙালি কবি আমি, বাংলা দেশের হযে তোমাকে দেশনাযকের পদে বরণ করি|…দুর্গতির জালে রাষ্ট্র যখন জড়িত হয তখনই পীড়িত দেশের অন্তর্বেদনার প্রেরণায আবির্ভুত হয দেশের অধিনাযক| …এই রকম দুঃসমযে একান্তই চাই এমন আত্মপ্রতিষ্ঠ শক্তিমান পুরুষের দক্ষিণ হস্ত, যিনি জযযাত্রার পথে প্রতিকূল ভাগ্যকে তেজের সঙ্গে উপেক্ষা করতে পারেন…
সেইকথা মনে রেখে আমি আজ তোমাকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রনেতার পদে বরণ করি,সঙ্গে সঙ্গে আহ্বান করি তোমার পার্শ্বে সমস্ত দেশকে|
তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবনকে বাজি রেখে  সর্বস্ব ত্যাগে পন করেছিলেন“নিজের পরিবারকে প্রিযজনকেও চরম অনিশ্চযতার মধ্যে ছেড়ে বিপদসংকুল পথে পাড়ি দিযেিলেন কেবলমাত্র নিজের দেশকে  বিদেশী শাসকের অধীনতা থেকে মুক্ত করার সশস্ত্র সংগ্রাম সংগঠিত ও নেতৃত্ব দিতে অগ্রনী সেনানাযকরূপে “ ক্ষাত্রতেজে মাতৃভূমির স্বাধীনতার লড়াইযে ব্রিটিশ সিংহকে সম্মুখযুদ্ধে আহ্বান করেছেন সাহসভরে | তাঁর নেতৃত্বে আজাদ হিন্দ ফৌজের সাফল্য বিবিধ কারনে  চূড়ান্ত বা স্থাযী না হলেও মনে রাখতে হবে সম্মুখযুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনীকে পরাজিত করে পরাধীন ভারতেরপ্রায এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার বর্গমাইল এলাকা মুক্ত করেছিল নেতাজির নেতৃত্বে আজাদ হিন্দ ফৌজ| সঠিক অর্থে তিনিই তো স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী|  আর  এই সশস্ত্র লড়াইযে  অভিঘাতে এদেশে ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি যে প্রকম্পিত হযেিল তা স্বীকার করেছেন শত্রুপক্ষীয হিউটযও|  রাজনৈতিক অভিসন্ধিতে এ  সত্য অস্বীকার করার অপচেষ্টা হীনমন্যতারই পরিচাযক|
   সত্য এইযে ভারতবর্ষের স্বাধীনতা যজ্ঞের প্রধান ঋত্বিক“পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিপ্লবীর যথার্থ মূল্যাযন  আমরা এখনও করে উঠতে পারিনি| ম্যটসিনী ,গ্যারিবল্ডির ভাবধারায  প্রভাবিত  হযে প্রকৃতপক্ষে  স্বামী   বিবেকানন্দের ভাবশিষ্য সুভাষচন্দ্র  বারবার বলেছেন ্ঢঞটজ্ব ঞ্ঝজ্বণ জ্ব ড্ডটণণটণঢ তণ  ঞ্ছত্মডঞ্ছটডড. হরিপুরা কংগ্রেসের সভাপতির ভাষণে আবার ১৯৪৪ সালের টোকিও বত্ত্ৃতায ও তিনি  বলেছিলেন চঞ্চ, জ্বণ্ডঞ্চ তঞ্ঝঞ্চণ্ডঞ্চঞ্ছণণ্ডঞ্চ ,ঞ্ছটঞ্জঞ্ঝতটঢঞ্জ ঢণত ঞ্ছণণ্ড তঞ্ঝঞ্চ ঝজ্বত্মণঞ্চ ণঞ্ছ ্ঢঞটজ্ব জ্বডণঢঞ্চ জ্রত্মত ণঞ্ছ ঞ্ঝত্মড্ডজ্বঢটতত্র জ্বণ ত্ত্বঞ্চডড. ্ঢঞটজ্ব ঞ্ছণ্ডঞ্চঞ্চঞ ড্ডঞ্চজ্বঢণ ঞ্ঝত্মড্ডজ্বঢটতত্র ণজ্বত্তঞ্চঞ.নিজের জীবন দিযে এই’মিশন’ উপলব্ধি করেন|তাই আত্মজীবনীতে  নিজেকে ভারত পথিক বলে চিহ্নিত করেছেন| স্বদেশের স্বাধীনতার জন্য এমন অকুতোভয আত্মোত্সর্গ এক অকল্পনীয  ব্যাপার|
দর্শনের ছাত্র সুভাষচন্দ্র মনেকরেন আমার মত হল আধুনিক যুগের বিভিন্ন আন্দোলনের মধ্যে যা“কিছু ভাল ও প্রযোজনীয  পাওযা যাবে ,সে সবের সমন্বয সাধন করতে হবে |এজন্য ইউরোপ ও আমেরিকার সকল প্রকার  প্রচলিত আন্দোলন ও পরীক্ষা“নিরীক্ষাগুলি সমালোচনা ও সহানভূতির সঙ্গে বিবেচনা করতেহবে’|
তিনিমনেকরতেন  আমদের নিজস্ব আদর্শ ও প্রযোজন অনুসারে আমাদের সমাজা আমরা গঠন করব|  অর্থাত্ ভারতবর্ষে সমাজতন্ত্রের রূপ  দিতে হবে ভারতবর্ষীয আদর্শ অনুযাযী| স্পষ্টবাদী এই মানুষটি গান্ধী,নেহরু কিংবা মার্ক্স ও হেগেলের
চিন্তাধারা পর‌্যালোচনা করে নিজের স্বকীয চিন্তা ব্যক্তকরেছেন |  সেজন্য কমু্যনিজম এবং ফ্যাসীবাদ  এরমধ্যে কোন একটি পথ ভারতবর্ষকে গ্রহন করতেহবে পন্ডিত জহরলাল নেহরুর এই মত খন্ডন করে সুভাষচন্দ্র  তাঁর ইন্ডিযান স্ট্রাগল’ গ্রন্থে বললেন যে এমত গোড়াতেই ভূল কারন বিজ্ঞানের একেবারে শেষস্তরে এসে না  পৌছলে কিংবা বিবর্তনকে একেবারে অস্বীকার নাকরলে, একথা বলার কোন যুক্তিনেই যে আমাদের সামনে দুটি বিকল্প  পথই মাত্র আছে,তার মধ্যেই বেছে নিতে হবে| সমাজতন্ত্রের পক্ষে অভিমত দিযে  তিনি বলেছেন , এদেশের ক্ষেত্রে   ঙ্কণঝটজ্বডটণড্ড ঞটঞ ঢণত ঞঞ্চণ্ডটত্তঞ্চ টতণ জ্রটণ্ডতঞ্ঝ ঞ্ছণ্ডণড্ড তঞ্ঝঞ্চ জ্রণণঠণ ণঞ্ছ গজ্বণ্ডড গ্বজ্বণ্ডত্থ. ্ত  ঞ্ঝজ্বণ টতণ ণণ্ডটঞ্জটঢ টঢ তঞ্ঝঞ্চ তঞ্ঝণত্মঞ্জঞ্ঝতণ জ্বঢঞ ঝত্মডতত্মণ্ডঞ্চ ণঞ্ছ ্ঢঞটজ্বনেতাজীর আন্তর্জাতিকতাবাদ কিন্তু জাতীযতাবাদের বিরুদ্ধে নয বরং একেঅন্যের পরিপূরক,অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত|
১৯৪৩ সালে টোকিও বিশ্ববিদ্যালযে ছাত্রদের সামনে এক বত্ত্ৃতায তিনি বলেন চঞ্চ ঞ্ঝজ্বত্তঞ্চ ডঞ্চজ্বণ্ডঢঞ্চঞ তণ ঞটণতটঢঞ্জত্মটণঞ্ঝ  ঢণত্ত্ব জ্রঞ্চতত্ত্বঞ্চঞ্চঢ ঞ্ছজ্বডণঞ্চ টঢতঞ্চণ্ডঢজ্বতটণঢজ্বডটণড্ড  জ্বঢঞ তণ্ডত্মঞ্চ টঢতঞ্চণ্ডঢজ্বতটণঢজ্বডটণড্ড .চঞ্চ ঠঢণত্ত্ব  ঢণত্ত্ব তঞ্ঝজ্বত টঢতঞ্চণ্ডঢজ্বতটণঢজ্বডটণড্ড টণ তণ্ডত্মঞ্চ  ত্ত্বঞ্ঝটঝঞ্ঝ ঞণঞ্চণ ঢণত টঞ্জঢণণ্ডঞ্চ ঢজ্বতটণঢজ্বডটণড্ড জ্রত্মত টণ ণ্ডণণতঞ্চঞ টঢটত
নেতাজির মতে  ঙ্খঞ্ঝঞ্চ ণঢডত্র জ্রজ্বণটণ ণঢ ত্ত্বঞ্ঝটঝঞ্ঝ  ত্ত্বঞ্চ ঝজ্বঢ ণঞ্চত ত্মণ্ণ জ্বঢ টঢতঞ্চণ্ডঢজ্বতটণঢজ্বড ণণ্ডঞঞ্চণ্ড টণ ঞ্ছণ্ডঞ্চঞ্চঞণড্ড, ট্টত্মণতটঝঞ্চ  জ্বঢঞ ণ্ডঞ্চঝটণ্ণণ্ডণঝটতত্র. দার্শনিক সুভাষচন্দ্রের মননে ধরা পড়েছে  মানব প্রগতি  থেমে যেতে  পারে না,সেজন্য  পৃথিবীর অতীত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আমরা নূতন কাঠামো তৈরি করব|
তিনি  বলেছিলেন পরাধীনতার যুগে বামপন্থার অর্থ হল   সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতা অথচ তাঁকে অপবাদ দেওযা হল তণ্ডজ্বটতণণ্ড তাঁর দলকে আখ্যা দেওযা হল ঞ্ছটঞ্ছতঞ্ঝ ঝণডত্মড্ডঢ|  তাই   বিস্মযে সঙ্গে কৌতুকও জাগে যখন দেখি  যে  দল বলেছিল নেতাজি ‘কুইসলিং’, ‘তোজোরকুকুর’“ ঘোষনা  করেছিল ্ঞ্ছ ঙ্কত্মজ্রঞ্ঝজ্বণঞ্ঝ ক্কণণঞ্চ ণ্ডঞ্চতত্মণ্ডঢণ ত্ত্বঞ্চ ত্ত্বটডড  ঞ্জণ্ডঞ্চঞ্চত ঞ্ঝটড্ড ত্ত্বটতঞ্ঝ জ্রত্মডডঞ্চত আজ আমাদেরকে তাঁদের কাছ থেকে  দেশপ্রেম,জাতীযতাবোধ এবং প্রগতিশীলতা “বামপন্থা ইত্যাদির বানী শুনতে হয|
তিনি দেশভাগের তীব্র বিরোধী ছিলেন| দক্ষিণ এশিযার রণক্ষেত্র থেকেই বারংবার বেতারে দেশবাসীকে এ ব্যাপারে সতর্ক করেছেন|  
কিন্তু তৱু দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে দেশভাগ করেই ক্ষমতা হস্তান্তরের   মাধ্যমে স্বাধীনতা এল| কারণ ঐ ব্রিটিশ ঐতিহাসিকের পর‌্যবেক্ষনে তত্কালীন ভারতবর্ষের পরিস্থিতি ছিলঃ  ক্টণঢঞ্জণ্ডঞ্চণণ ঢঞ্চত্তঞ্চণ্ড জ্রঞ্চঝজ্বড্ডঞ্চ জ্ব তণ্ডত্মডত্র ণ্ডঞ্চত্তণডত্মতটণঢজ্বণ্ডত্র ড্ডণত্তঞ্চড্ডঞ্চঢত, ক্সজ্বঢঞঞ্ঝটট্টট  ণ্ডঞ্চড্ডজ্বটঢঞ্চঞ ণ্ডণত্মঢঞ টতণ ঢঞ্চঝঠ ডটঠঞ্চ তঞ্ঝঞ্চ কঢঝটঞ্চঢত গ্বজ্বণ্ডটঢঞ্চণ্ড’ণ   জ্বডজ্রঞ্চণ্ডতণ্ডণণ   টঢঞ্ঝটজ্রটতটঢঞ্জ  টতণ জ্বঝতটণঢ , ঞটত্তটঞটঢঞ্জ টতণ ণ্ণণ্ডণঞ্জণ্ডঞ্চণণ, ঝণঢঞ্ছত্মণটঢঞ্জ তঞ্ঝঞ্চ ঞ্জঞ্চঢত্মটঢঞ্চ ণ্ডঞ্চত্তণডত্মতটণঢজ্বণ্ডটঞ্চণ   জ্বঢঞ  ত্মডতটড্ডজ্বতঞ্চডত্র ঞ্চঢণত্মণ্ডটঢঞ্জ  তঞ্ঝঞ্চ ণ্ণজ্বণ্ডতটতটণঢ ণঞ্ছ ্ঢঞটজ্ব..গুজ্বতঞ্চড ত্ত্বজ্বণ ঢণত জ্ব তঞ্ঝটঢঠঞ্চণ্ড জ্রত্মত জ্ব ত্ত্বণণ্ডঠঞ্চণ্ড. গঞ্চঞ্ঝণ্ডত্ম ত্ত্বজ্বণ জ্ব তঞ্ঝটঢঠঞ্চণ্ড  জ্রত্মত ঢণত জ্ব ড্ডজ্বঢ ণঞ্ছ ঞঞ্চঝটণটত্তঞ্চ জ্বঝতটণঢ. ্কঞ্চ ত্ত্বজ্বণ ঢণ ড্ডণণ্ডঞ্চ জ্ব  ণ্ডঞ্চত্তণডত্মতটণঢজ্বণ্ডত্র টঢ ঞ্ছজ্বঝত তঞ্ঝজ্বঢ  তঞ্ঝঞ্চ জ্রণত্মণ্ডঞ্জঞ্চণটণ  ডঞ্চজ্বঞঞ্চণ্ডণ   ণঞ্ছ ক্কণ্ডটতটণঞ্ঝ গ্গজ্বজ্রণত্মণ্ড গুজ্বণ্ডতত্র. আর এই তথাকথিত বামপন্থীরাও ‘লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তানের’ সমর্থনে একটা পর‌্যাযে কত তত্ত্ব খাড়া করলেন|
 দূর্ভাগ্য এও যে দেশ স্বাধীন হওযার পর স্বাধীন দেশের সরকারের   তাঁর প্রতি উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিদ্বেষপূর্ন ও অবহেলার আচরন লক্ষ্য করা গেছে বারবার|
 ১৯৪৭ এর ১৫ই আগষ্ট দিল্লীর আকাশবানী থেকে যাঁদের নেতৃত্বে  স্বাধীনতা এসেছে তাঁদের নামে অকুন্ঠ প্রশস্তিকালে একবারও  উচ্চারিত হয নি সুভাষচন্দ্রের নাম| মধ্যরাতে জাতির উদ্দেশ্যে বহু উল্লেখিত সেই ভাষন ‘ঙ্খণ্ডত্রণত ত্ত্বটতঞ্ঝ ঞঞ্চণতটঢত্র’ তে একবারও কি উচ্চারিত হযেিল একসমযকার দলীয সহকর্মী ‘বন্বু’র নাম,আত্মত্যাগের কথা?
যদিও আজাদ হিন্দ সরকারের বিপুল ধন সম্পদের এক বিশাল অংশ  তিনি প্রাপ্ত হন  হিউ টযে কাছ থেকে বন্বু  মাউন্টব্যাটেনের  সৌজন্যে| আবার  নেতাজির অনুপস্থিতিতে যুদ্ধোত্তর বিশৃঙ্খলা এবং নৈরাজ্যের  সুযোগে লুন্ঠিত হযেে বাকী সম্পদ ,সেই মহানের জ্ঞাতসারে| কিন্তু বারংবার তাগাদাযও  এমন একটি গুরুত্বপূর্ন বিষযে তদন্তে   কোন রহস্য জনক কারনে ছিল তত্কালীন সরকারের অনীহা বরং আত্মসাত্কারীদের অন্যতম  আজাদ হিন্দ সরকারের জনৈক মন্ত্রীকে  পূর্বের ‘অবদান’স্মরনে স্বাধীনোত্তর  ভারতে গুরুত্বপূর্ন পদে  নিযোগ করা হযেিল| আবার সুভাষচন্দ্রই যে  ভারতবর্ষে প্ল্যানিং কমিশনের প্রকৃত জনক,এ স্বীকৃতি দিতে পরাম্মুখ অপপ্রচার “ জওহরলাল নেহরুই নাকি ভারতবষের  পরিকল্পনা“বিষযক চিন্তার  প্রবর্তক|
 ঙ্খঞ্ঝঞ্চ ত্ত্বজ্বত্র ঙ্কত্মজ্রঞ্ঝজ্বণ ক্কণণঞ্চ ঞ্ঝজ্বণ  ঝঞ্ঝণণঞ্চঢ টণ ঢজ্বতত্মণ্ডজ্বডডত্র ত্ত্বণ্ডণঢঞ্জ.্ ঝজ্বঢঢণত জ্বঝ্ঝঞ্চণ্ণত  জ্রত্মত ড্ডত্মণত  ণণ্ণণ্ণণণঞ্চ . ্ ত্ত্বটডড ণ্ডঞ্চঝঞ্চটত্তঞ্চ ঞ্ঝটড্ড ত্ত্বটতঞ্ঝ ণণ্ণঞ্চঢ ণত্ত্বণণ্ডঞ“এমন সদর্প ঘোষণা সত্ত্বেও    নেতাজি তাঁর উদারতায আজাদ হিন্দ ফৌজের এক  একটি বিগ্রেডের নাম রেখেছিলেন গান্ধী বিগ্রেড, আজাদ বিগ্রেড নেহরু বিগ্রেড|
 উপেক্ষা অবহেলার অবিচারের এবিধ আরও অনেক ঘটনাবলী  সত্য ও  সর্বজনবিদিত |
তাঁর অন্তর্ধান আজও রহস্যাবৃত করে রাখা হযেে|   বারংবার প্রতিস্রুতি দেওযা স্বত্তেও তাঁর অন্তর্ধান সংক্রান্ত গোপন ফাইলগুলি এখনও প্রকাশ করা হলনা বিভিন্ন অজুহাতে| বলাবাহুল্য  বিশেষ কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ছাড়া আজ আর কেউ বিশ্বাস করেন না যে ১৯৪৫ সালের ১৮ই আগস্ট তথাকথিত বিমান দূর্ঘটনায তাঁর মৃতু্যর কল্পকাহিনী| হযত  আজ আর তাঁর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই,কিন্তু একথা প্রমানিতযে ঐ বিশেষদিনে অন্তত তাঁর মৃতু্য হয নি“বরং পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য প্রমানে এটাই  প্রতিভাত হযযে দেশ স্বাধীন হওযার পরও তিনি জীবিতছিলেন| এ ব্যাপারে সর্বশেষ মুখার্জীকমিশনের রিপোর্টও দ্বিধাহীনভাবে একথাই বলেছে|কিন্তু কোন এক রহস্যজনক কারনে সরকার সেই রিপোর্ট গ্রহন করেন নি| দেশনেত্রী বিপ্লবী লীলা রাযে মত ব্যক্তিত্ব যিনি নেতাজীর ঘনিষ্ট সহযোগীদের  অন্যতম তিনিও বিশ্বাস করতেন ঐ তথাকথিত বিমান দূর্ঘটনায নেতাজির মৃতু্য হয নি এবং এলাহবাদের কাছে ফৈজাবাদের  গুমনামী বাবা’ই নেতাজি|
দূর্ভাগ্যজনকভাবে স্বার্থান্বেষী মহলের  বিমান দুর্ঘটনায নেতাজির মৃতু্যর তত্ত্ব সোচ্চারে সমর্থন এবং  প্রচারে বসুপরিবারের কেবলমাত্র দু’জন সদস্য বিস্মযকরভাবে উন্মুখ হলেও সাম্প্রতিক কিছু নেতাজি গবেষকের গবেষনার প্রকাশ পেযেে তিনি রাশিযায প্রবেশের পর সেখানে বন্দী থেকে ১৯৫৩ এর মার্চে স্তালিনের মৃতু্যর পর  কোনভাবে সোভিযে রাশিযা থেকে গোপনে চলে আসতে সমর্থ হন  ভারতে এবং উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন জাযগার পর ফৈজাবাদের রামভবনে গুমনামী বাবা ছদ্মনামে বাস  করতে থাকেন এবং সেখানেই মারা যান| চূড়ান্ত প্রমানের অভাবে মুখার্জী কমিশন এ তত্ত্ব প্রমানিত বলে ঘোষনা না করলেও এই সম্ভাবনা খারিজও করে দেন নি|
যদিও প্রধানত নেতাজির ভ্রাতুষ্পুত্রী ললিতা বসুর আবেদনক্রমে এলাহবাদ উচ্চন্যাযালযে ২০১৩র নির্দেশে ২০১৬ সালের জুলাই মাসে  অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিষ্ণু সহাযে নেতৃত্বে গঠিত এক সদস্যের কমিশন ২০১৭ র সেপ্টেম্বরে যে  রিপোর্ট দাখিল করেন তাতেও  কৌশলে দায এড়িযে গেছেন| গত ১৯শে ডিসেমর লক্ষ্মৌযে রাজ্য বিধানসভার শেষ দিনে পেশ করা কমিশনের রিপোর্টটি থেকে জানা যাচ্ছে  যে  যদিও কমিশনে  অধিকাংশ সাক্ষীই বলেছেন যে  গুমনামিবাবাই নেতাজি কিন্তু কমিশন  গুমনামিবাবা ও নেতাজির মধ্যে  বেশ কিছু সাদৃশ্যের  উল্লেখ করলেও শেষ পর‌্যন্ত এক অদ্ভুত সিদ্ধান্তে এসেছেন যে গুমনামি বাবা  নেতাজির একজন বিশ্বস্ত বাঙালি অনুরাগীমাত্র “উভযে বাংলা, হিন্দী এবং ইংরেজি কথপোকথনে সাবলীল|  
কিন্তু অন্যদিকে সাম্প্রতিক পরীক্ষায প্রমাণিত যে নেতাজি ও গুমনামি   বাবার হাতের লেখা  দু’টি হাতের লেখা এক ব্যক্তিরই|        
 এখানে উল্লেখ্য সরকারের পক্ষ থেকে মাঝে মাঝে বলা হয যে নেতাজি সংক্রান্ত এমন কিছু গোপন ফাইল আছে যেগুলি প্রকাশ  করলে কিছু বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতিহতে পারে| রহস্য এখানেই| কবে এরহস্যের অবসান হবে তা অনিশ্চিত| তবে দেশের জনসাধারণকে  এব্যাপারে সচেতন ও সজাগ থেকে জনমত গড়ে তুলতে হবে|
স্বর্গত প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী যাঁকে বলেছেন ‘জ্রঞ্চজ্বঝণঢ ডটঞ্জঞ্ঝত’ অভিন্ন হৃদয বন্বু শ্রদ্ধেয দিলীপকুমার রাযে ১৯৬৫ সালে এ লিখিত ভাষনে মূল্যাযনই   গঞ্চতজ্বট্টট ণঞ্ঝজ্বডড ডটত্তঞ্চ  ঞ্ছণণ্ড জ্বডড তটড্ডঞ্চণ জ্বণ জ্ব ণটঢঞ্জটঢঞ্জ ডটঞ্জঞ্ঝতঞ্ঝণত্মণঞ্চ ণঞ্ছ টঢণণ্ণটণ্ডজ্বতটণঢ তণ ণ্ণণণতঞ্চণ্ডটতত্র টঢ ণত্মণ্ড ঞণ্ডজ্বজ্র জ্বঞ্জঞ্চ  ত্ত্বঞ্ঝঞ্চণ্ডঞ্চ  জ্বডড তঞ্ঝঞ্চ ণ্ডঞ্চণত  টণ ঞত্মড্ডজ্র জ্বণঞ্ঝ যেন  ধ্বনিত করে এক অমোঘ সত্য|
হ্যাঁ, এই বাতিঘরই  আমাদের আজ দিশা|

Loading...