বাড়ি ফিরে দেখা ব্লাক প্যাগোডা

ব্লাক প্যাগোডা

503
0

রবীন্দ্রকুমার শীল

1699 সালে কলকাতা ্প্রেসিডেন্সি শহরে উন্নতি লাভ করে। কলকাতার ্প্রশাসনিক কাজ দেখার জন্য কাউন্সিল গঠন করা হযেিল। এই কাউন্সিলে একজন ্প্রেসিডেন্ট এবং চারজন সদস্য ছিল।  চতুর্থ সদস্য ছিলেন খাজনা আদাযে ভার্প্রাপ্ত আধিকারিক। কাউন্সিলের কাজে ্প্রথম নিযুক্ত হযেিলেন রেলফ স্যালিডন। 1720 সালে জমিদার পদ সৃষ্টি হলে খাজনা আদায করার জন্য কাউন্সিলের সদস্য নন এমন একজনকে কাজে নিযুক্ত করা হল। এই বছর ডেপুটি জমিদার বা কালো জমিদার পদ সৃষ্টি করা হয। এই পদে ্প্রথম নিযুক্ত হন একজন ভারতীয। তার নাম গোবিন্দরাম মিত্র। তাঁকে কালো জমিদার আখ্যা দেওযা হযেিল। 1756 সালে নবাব সিরাজদৌল্লা কলকাতা দখল করলে তিনি কোথায পালিযে গিযেিলেন তার খোঁজ পাওযা যাযনি। ইংরেজরা কলকাতায ফিরে আসলে তিনি আবার কলকাতায এসে বসবাস করতে শুরু করেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন তিনি 1773 সাল পর‌্যন্ত তিনি জীবিত ছিলেন। তাঁর মূল বাড়ি ছিল বারাকপুরের চন্দনপুকুর গ্রামে। কলকাতার চিত্পুরে সুউচ্চ মন্দির স্থাপন করেছিলেন গোবিন্দরাম মিত্র। এই মন্দিরটি ব্লাক প্যাগোডা হিসাবে পরিচিতি লাভ করে। কোনও হিন্দুর মন্দির কালো হয না। মন্দিরের ছবি এঁকেছিলেন টমাস ড্যানিযে ওবং টমাস ্প্রিন্সেপ। ব্লাক প্যাগোডার উচ্চতা ছিল 165 ফুট। উচ্চতায কলকাতান্ শহিদ মিনারের চেযে তেরো ফুট বেশি। 1737 সালে কলকাতায ্প্রবল ভূমিকম্প হলে মন্দিরের চূড়াটি একেবারে ভেঙে পড়ে। মন্দিরের মধ্যে শিবলিঙ্গটি এখনও রযেে।  রবীন্দ্র সরণিতে মন্দিরের ফলকে লেখা রযেে ‘জোড়া রত্নেশ্বর মন্দির’। দেবী সিদ্ধেশ্বরীকে পরে সরিযে নিযে ঠিক বিপরীত দিকে একটি মন্দিরে ্প্রতিষ্ঠা করা হযেিল। ব্লাক প্যাগোডা নাম হারিযে এখন মন্দিরটির নাম হযেে ‘জোড়া রত্নেশ্বর মন্দির’। গোবিন্দরামের বসত বাড়িতে কুল দেবতা গোকুলচাঁদ রযেেন। রাজা মান সিং এই মন্দিরটি দর্শন করেছিলেন বলে জানা যায। 

Loading...