বাড়ি সম্পাদকীয় বিদ্যাসাগর ঃ ‘ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ’ থেকে ‘বর্ণপরিচয়

বিদ্যাসাগর ঃ ‘ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ’ থেকে ‘বর্ণপরিচয়

627
0


রবীন্দ্র কুমার শীল
বাংলা তথা ভারতের প্রথম দিককার বিধিবদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে ফোর্ট উইলিযাম কলেজের একটি বিশেষ অবদান এবং স্থান রযেে| ১৮০০ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হওযা এই কলেজটি তদানীন্তন বড়লাট লর্ড ওযেেসলির ‘স্বপ্নের সন্তান’ হিসাবে পরিচিত| লর্ড ওযেেসলি চেযেিলেন ব্রিটিশ ্প্রশাসকদের  ভারতীয ভাষা শিক্ষা, আইন প্রশিক্ষণ, বিজ্ঞান, ইতিহাস, ভূগোল, পলিটিক্যাল ইকনমি প্রভৃতি এবং তার সঙ্গে প্রাচীন ভারত বিষযক বিদ্যায পারদর্শী করার কেন্দ্র হিসাবে ফোর্ট উইলিযাম কলেজেকে গড়ে তুলতে| এক কথায তিনি চেযেিলেন, কলেˆজটি হোক ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ | যদিও এই কলেজের জন্মকাল থেকে এই বিতর্ক কিন্তু তাকে পিছু ছাড়েনি| লর্ড ওযেেসলি চাইলেও ইস্ট ইণ্ডিযা কোম্পানির পরিচালনামণ্ডলী, বোর্ড অফ ডাইরেক্টরস চাযনি কলকাতায এই রকম একটি ব্যযসাপেক্ষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তুলতে| কোম্পানি চেযেিল ইংল্যাণ্ডের আমলাদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি বিশেষ কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে| কিন্তু ধীরে ধীরে অবশ্য ভারতীয ভাষা শিক্ষা ও চর্চার কেন্দ্র হিসাবে ফোর্ট উইলিযাম কলেজ খ্যাতি অর্জন করে| কলকাতায ব্যবসা বাবণিজ্য বৃদ্ধি পাওযার ফলে ইংরেজি ভাষার প্রসার বৃদ্ধি লাভ করতে শুরু করে| আবার বহু ইংরেজ শাসকেরা চাইছিলেন না ফোর্ট ইউলিযাম কলেজ প্রাচ্যের অক্সফোর্ড হিসাবে খ্যাতি লাভ করুক| বিলেতের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অক্সফোর্ডকে অতিক্রম করে যাবে একটি উপনিবেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এটাকে সহজভাবে গ্রহণ করে নিতে পারেন নি তত্কালীন ভারতের ভাইসরয লর্ড বেন্টিঙ্ক| ১৮২৮ সালে লর্ড বেন্টিঙ্ক ভারতের বড়লাট হযে এলে তিনি ্প্রাচ্যের বিদ্যাকেন্দ্র ফোর্ট উইলিযাম কলেজর বিরোধিতা করতে শুরু করলেন| তার ফলে ১৮৩০ সালে এই কলেজের অর্থ বরাদ্দের ওপরে কোপ নেমে আসে|  প্রাচ্যবিদ্যা চর্চায হেস্টিংসের মানসপুত্র’সম প্রতিষ্ঠানটি হল ১৭৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এশিযাটিক সোসাইটি| প্রধানত, উইলিযাম জোন্স, এইচ জে কোলব্রুক প্রমুখের তত্ত্বাবধানে অষ্টাদশ শতকের শেষ দিকে এই প্রতিষ্ঠানটি গবেষণা ও প্রকাশনায ঈর্ষাণীয স্থান গ্রহণ করে| ফোর্ট ইউলিযাম কলেজেটির সঙ্গে শিক্ষাবিষযক ভাবধারার দিক থেকে এশিযাটিক সোসাইটির নিবিড় যোগ ছিল| জোন্সের পরবর্তী প্রজন্মের প্রিন্সেপ, লীডেন, উইলসন, হজসন প্রমুখ এই কলেজের শিক্ষক, পরীক্ষক ও সিভিলিযন ছাত্র হিসেবে যুক্ত ছিলেন| ফোর্ট উইলিযাম কলেজের সেক্রেটারি জি টি মার্শাল তরুণ বিদ্যাসাগরের মধ্যে এক শিক্ষানুরাগী উদ্যোমী মানুষকে দেখে মুগ্ধ হন| সেই সমযে বিদ্যাসাগরের ইংরেজি জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা ছিল| সুপারিশক্রমে মার্শাল সে প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন- আবেদনকারীর কেবল ‘জ্ব ড্ডণঞঞ্চণ্ডজ্বতঞ্চ ঠঢণত্ত্বডঞ্চঞঞ্জঞ্চ ণঞ্ছ ক্বঢঞ্জডটণঞ্ঝ’ আছে| মার্শাল সাহেবের পরামর্শক্রমে বিদ্যাসাগর ভালো করে ইংরেজি ও হিন্দি শিখতে শুরু করলেন| তার সুফল মিলেছে অল্প কাল পড়েই| মার্শাল ১৯৪৬ সালে লিখছেন বিদ্যাসাগর- ‘ত্তঞ্চণ্ডত্র ঝণঢণটঞঞ্চণ্ডজ্বজ্রডঞ্চ ঞঞ্চঞ্জণ্ডঞ্চঞ্চ ণঞ্ছ ঠঢণত্ত্বডঞ্চঞঞ্জঞ্চ ণঞ্ছ ক্বঢঞ্জডটণঞ্ঝ গ্গজ্বঢঞ্জত্মজ্বঞ্জঞ্চ’ এর পরিচয তিনি পেযেেন| 
ফোর্ট উইলিযাম কলেজে বিদ্যাসাগর কোম্পানির আমলাদের বাংলা শেখাতেন| মেকলের শিক্ষাবিষযক কার‌্যবিবরণী-‘মিনিট’ এর প্রভাব পড়তে শুরু করে দিযেে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে| বিদ্যাসাগরের কলেজে যোগদানের সময এই কলেজটি ভূতুড়ে কলেজে পরিণত হয| অধ্যাপকের নিযোগ বন্ধ হযে গিযেে|  অর্থ বরাদ্দও কমে গিযেে| ঐতিহ্যশালী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করতে কলেজের একমাত্র সচিব জি টি মার্শাল আপ্রাণ চেষ্টা চালিযে যাচ্ছেন| সেই সমযে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘বাসুদেব চরিত’ রনচা করলেও তা কখনও প্রকাশের আলো দেখেনি| সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যাযে ‘শ্রীকৃষ্ণচরিত্র’ বিশ্লেষণমূলক প্রবন্ধ রচনা করার আগে বাসুদেবকে নিযে বিশ্লেষণমূলক বই রচনা করেছিলেন বিদ্যাসাগর মহাশয| ফোর্ট উইলিযাম কলেজে সিভিলিযানদের বিদ্যাসাগর পড়াতেন| এর মধ্যে আবার বেশ কযেজন সিভিলিযন সংস্কৃˆত শিক্ষা গ্রহণ করার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করে| যার ফলে বিদ্যাসাগর সংস্কৃˆত কবিতাও রচনা করেছিলেন| তিনি আবার কোম্পানির সিভিলিযানদের হিন্দিও শেখাতে শুরু করেন| সেই সমযে হিন্দিতে রচিত ‘বেতাল পঁচেসী’ বাংলায অনুবাদ করেন ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ রূপে| তিনি বহু আগ্রহী ছাত্রদের সংস্কৃˆত ভাষা, সাহিত্য ও দর্শন পড়াতেন| 
বিদ্যাসাগর বাংলায কীভাবে সেই সমযে সিভিলিযানদের পড়াতেন সেই বিষযে কযেটি উদাহরণ দেওযা যেতে পারে| তিনি ইংরেজি অ্যালফাবেট এ তে ‘অ’ শেখাতেন| আবার ডবল ঢত্থণ তে তিনি ‘আ’ শেখাতেন| ঢজ্ঞণ তে ‘ক’ এবং কে -‘খ’ শেখাতেন| ইংরেজি শব্দমালার পাশে কীভাবে বাংলা শিখতে হয সহজভাবে সেই পদ্ধতিটি বিদ্যাসাগর নিজেই আবিস্কার করেছিলেন| তিনি যেভাবে ইংরেজি শব্দকে পাশে রেখে বাংলা উচ্চারণ করাতেন সেই পদ্ধতি গ্রহণ করে ইংরেজরা অতি সহজেই বাংলা শিখতে পারতো| পরবর্তীকালে যকন ফোর্ট উইলিযাম কলেজ উঠে গেল তখন তিনি সহজ বাংলা ভাষা শিক্ষা বই রচনা করার দিকে বেশি করে মনোযোগ দিতে থাকেন| ফলে এই সময থেকে অতি সহজ পদ্ধতিতে বাংলাভাষা শিক্ষা গ্রহণ করার জন্য ‘বর্ণ পরিচয’ রচনা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেন| 
বিদ্যাসাগরের ‘বর্ণ পরিচয’ রচিত হওযার আগে তিনটি বাংলা প্রাইমার ছিল| সেই বইগুলোর নাম হচ্ছে ‘শিশুবোধক’, ‘শিশুসেবধি’ এবং ‘শিশুশিক্ষা|’  বিশ্বনাথ তর্কবাগীশ ১৮৩০ সালে প্রথম বাংলা প্রাইমার ‘শিশুবোধরক’ রচনা করেন| বাংলার ভাষা শিক্ষা গ্রহণের জন্য এটাকেই প্রথম বাংলা প্রাইমার বলে গণ্য হযে থাকে| তারপরে হিন্দু কলেজান্তর্গত বাঙ্গালা পাঠশালার জন্য ‘শিশুসেবধি’ প্রাইমার রচনা করা হয| ১৮৪৯ সালে মদনমোহন তর্কালঙ্কার প্রণীত ‘শিশুশিক্ষা’র প্রথমভাগ প্রকাশিত হয| এই বইটি ছাপা হযেিল বিদ্যাসাগর এবং মদনমোহন তর্কালঙ্কারের যৌথ উদ্যোগে ১৮৪৭ সালে তাঁদের স্থাপিত ‘সংস্কৃˆতযন্ত্র’ ছাপাখানা থেকে|  কথা প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যেতে পারে যে মদনমোহন তর্কালঙ্কার এবং বিদ্যাসাগর দুই জনই ছিলেন বন্বু| মদনমোহন কবিত্ব শক্তির অধিকারী ছিলেন| সেই সালেই প্রকাশিত হয প্যারীচাঁদ মিত্রের কালজযী ইংরেজি ‘ফাস্ট ৱুক’ এর ্প্রথম ভাগ|  বিদ্যাসাগরের বর্ণ পরিচয-এর প্রথম ভাগ প্রকাশিত হযেিল ১৮৫৫ সালে জুলাই মাসে| এবং দ্বিতীয ভাগ প্রকাশিত হয ১৮৫৬ সালে| 
প্যারীচাঁদ মিত্র যেমন তাঁর রচিত ‘ফাস্ট ৱুˆক’-এ ইংরেজি বানান রপ্ত করার জন্য ড্রিলিং পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন ঠিক তেমনি বিদ্যাসাগর মহাশয ‘বর্ণপরিচয’ বইতে বানান শেখানোর জন্য বারবার অভ্যাসের ওপরে জোর দিযেিলেন|                                         
মদনমোহন তর্কালঙ্কারের রচিত ‘শিশুশিক্ষা’ বইযে সঙ্গে বিদ্যাসাগরের ‘বর্ণ পরিচয’ এর বইযে মধ্যে মিল দেখতে পাওযা যায| ‘শিশুশিক্ষা’তে লেখা রযেে ‘কদাচ মিথ্যা কথা কহিও না’| বিদ্যাসাগর সেখানে তাঁর চরিত ‘বর্ণপরিচয’ বইতে লিখছেন-‘ কখন মিছা কথা কহিও না|’  ‘শিশুশিক্ষা’তে লেখা রযেে-‘ পাঠের সময গোল করিও না’| ‘বর্ণপরিচয’ গ্রন্থে লেখা রযেে-‘ পড়িবার সমযে গোল করিও না|’ শিশুশিখা’তে লেখা রযেে-‘ খেলা করিও না|’ ‘বর্ণ পরিচয’-তে লেখা রযেে-‘ সারা দিন খেলা করিও না|’ মদন মোহন তর্কালঙ্কারের চেযে বিদ্যাসাগরের ‘বর্ণ পরিযচয’ বেশি আধুনিক বাংলা শিক্ষা পদ্ধতি গ্রহণ করেছিল| বিদ্যাসাগর বাংলা ভাষাকে একেবারে আধুনিকতার দোরগোড়ায নিযে এসে উপস্থিত করেছিলেন বিদ্যাসাগর| পরবর্তীকালে তাঁকে অনুসরণ করে কবিগুরু লিখেছেন ‘সহজপাঠ’| কবিগুরু ‘বর্ণপরিচয’ বইটির সম্পর্কে ওযাকিবহাল ছিলেন| শিশুদের মুখে সহজ শব্দকে কীভাবে প্রকাশ করতে হয সেটা কিন্তু জানতেন বিদ্যাসাগর| সেই কারণে তাঁর রচিত ‘বর্ণপরিচয’ এর প্রথমভাবে শব্দগুলো জটিল নয| খুব ্প্রাঞ্জল| শিশুদের ওপরে মানসিক চাপ দিতে তিনি একেবারে প্রস্তুত ছিলেন না| সেই কারণে তাঁর রচিত ‘বর্ণপরিচয’ এর প্রথমভাগে কোনও কবিতার শ্লোক দেখতে পাওযা যায না| ‘শিশুশিক্ষা’ বইতে রযেে-‘পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল, কাননে কুসুম কলি সকলই ফুটিল’| এর মতো কোনও কবিতা দেখতে পাওযা যায না| বাংলা বর্ণ পরিচযকে সঠিকভাবে সকলের কাছে পেঁছে দেওযার লক্ষ্য নিযে রচিত হযেিল বিদ্যাসাগরের ‘বর্ণ পরিচয|’ সেখানে তিনি কিন্তু পাণ্ডিত্য ফলাননি| তিনি কবিতা রচনা করে শিশুদের শিক্ষার ওপরে জোর দিতে চাননি| তিনি মনে করতেন শিশুদের ভাষা শিখাকে আগে ভালো করে শেখাতে হবে| কাব্য রচনা করে শিশু মনের বিকাশ লাভ করানো সম্ভভ হতে পারে| কিন্তু তাতে ভাষা শিক্ষার প্রসার লাভ হয না| শিশুদের ‘বর্ণ পরিচয’কে শক্ত ভিতের ওপরে দাঁড় করানোই ছিল বিদ্যাসাগরের মুখ্য উদ্দেশ্য| সেই কারণে আজও বিদ্যাসাগরের ‘বর্ণ পরিচয’ মানুষের মন থেকে মুছে যাযনি| লোকেরা  পণ্ডিত মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ‘শিশুশিক্ষা’ বইটির কথা ভুলে গিযেে| এমনকী বেথুন স্কুল ও কলেরে ছাত্রীরা পণ্ডিত মদনমোহন তর্কালঙ্কারের নাম পর‌্যন্ত জানে না| কিন্তু ‘বর্ণ পরিচয’ আজও অমর অজয অক্ষয হযে রযেে| তার একটি মাত্র কারণ হচ্ছে বাংলা বর্ণ শিক্ষার পদ্ধতিটি শিশুদের মুখের প্রথম উচ্চারণের মধ্যে দিযে সীমাবদ্ধ রেখে ছিলেন| যেমন- কর, খল, ঘট, জল, নখ, দশ, পথ, ফল, ভয, রস, বন, শঠ ইত্যাদি| এই সব শব্দগুলো কিন্তু ছোটদের কাছে অতি পরিচিত শব্দ| জটিল নয|  ফলে শিশুরা অতি সহজেই এটা রপ্ত করতে পারে| ছোটরা যাতে সহজে গ্রহণ করে নিতে সক্ষম তার ওপরে বেশি জোর দিযেিলেন বিদ্যাসাগর মহাশয ‘বর্ণপরিচয’ রচনা করার সমযে সেই কারণে এই বইটি পড়তে শিশুরা বেশি ভয পেত না বা আতঙ্কিত হযে পড়তো না| অতি সহজেই বর্ণ পরিচযে বর্ণিত অক্ষরের সঙ্গে পরিচিত হযে পড়তো সকলেই| ‘বর্ণ পরিচয’ প্রকাশ লাভ করতেই মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ‘শিশুশিক্ষা’ বইটি আর সেইভাবে শিশুদের মনে প্রভাব বিস্তার লাভ করেনি| তার একটি মাত্র কারণ হচ্ছে যে কবিত্বের বেশি উত্কর্ষতা| মদনমোহন তর্কালঙ্কার পণ্ডিত ব্যক্তি ছিলেন তাতে কোনও সন্দেহ নেই| তাঁর প্রখর কবিত্ব শক্তি শিশুশিক্ষা পাঠ্যবইতে বেশি করে প্রকাশ লাভ করেছে| কিন্তু বিদ্যাসাগর কোনও রকম পণ্ডিত্যের বড়াই করেননি ‘বর্ণ পরিচয’ গ্রন্থে| তিনি সেখানে তাঁর পাণ্ডিত্যকে বর্জন করে শিশুদের মনোপযোগী বাংলা প্রাইমার রচনা করে গিযেেন| ফলে আজকে বিদ্যাসাগরের দ্বিশতবর্ষ জন্মদিবসের প্রাক্কালে তাঁর রচিত ‘বর্ণ পরিচয’ নিযে নতুন করে ভাবনা চিন্তা করতে শুরু করে দিযেেন পণ্ডিত মহল| ‘বর্ণ পরিচয’ বইটি নিযে গবেষণা করতে শুরু করে দিযেেন বহু গবেষক| তারা বিদ্যাসাগরের শিশু শিক্ষার চিন্তাধারা কত প্রখর ছিল তা নিরক্ষণ করার চেষ্টা করছে| বলতে গেলে বলা নিশ্চয যেতে পারে ‘বর্ণপরিচয’ বইটি হচ্ছে বিজ্ঞান ভিত্তিক বাংলা বানান শিক্ষার সেরা প্রাইমার|

ReplyForward
Loading...