বাড়ি রাজ্য বাঁকুড়া বাইক দুর্ঘটনায় দুই যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল মেজিয়া

বাইক দুর্ঘটনায় দুই যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল মেজিয়া

59
0

বাঁকুড়া, ৩১ জুলাই  : বাইক দুর্ঘটনায় দুই যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে বাঁকুড়ার মেজিয়া। রাস্তা অবরোধ কৱে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে উত্তেজিত জনতা।বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১ টা নাগাদ বাঁকুড়া রানীগঞ্জ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর মেজিয়া থানার তারাপুর সুকান্ত স্মৃতি বিদ্যাপীঠের সামনে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় দুই যুবক।  পুলিশ সূত্রে জানা গেছে মৃত দুই যুবকের নাম অমিত দাস (২৬) ও সুমন ভট্টাচার্য (২৭) । এই ঘটনার পর শুক্রবার সকাল থেকে প্রায় ৪ ঘন্টা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি পুলিশের উদাসীনতার কারনে শিল্পাঞ্চলে হামেশাই দুর্ঘটনা ঘটছে। ঘাতক গাড়িটিকে ধরে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। পুলিশের আশ্বাস পেয়ে অবরোধ ওঠে। মৃত দুই যুবক ছিলেন অভিন্ন হৃদয় বন্ধু। অমিত দাসের বাবা অশোক দাসের একটি পেট্রোল পাম্প আছে স্থানীয় তেওয়ারীডাঙার কাছে জোড়া পুকুরে। সম্প্রতি অমিত দাস পেট্রোল পাম্প দেখাশুনা কৱছিলেন। রাত ১১ টা ২০ নাগাদ অমিত ও সুমন্ত মোটরবাইকে করে মেজিয়ার বাড়িতে ফিরছিলেন। । সেই সময় দ্রুত গতিতে আসা কোনো লরি বা  গাড়ি তাদের চাপা দিয়ে বেরিয়ে যায়। গাড়িটিকে শুক্রবার পর্যন্ত চিহ্নিত করা যায়নি। দুর্ঘটনা স্থলেই মারা যান অমিত ও সুমন্ত। এরপর মেজিয়া পুলিশের টহলদারি গাড়ি গাড়ি দুর্ঘটনা স্থলে বাইক ও দুই যুবককে পড়ে থাকতে দেখে তাদের তুলে নিয়ে গিয়ে মেজিয়া ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসেন। সেখানে চিকিৎসকেরা তাদের মৃত বলে জানান। অমিতের কাকা মিলন দাস বলেন, আমাদের গ্রামের বাড়ি মেজিয়া থানার রানীপুর গ্রামে ও সুমন্তদের বাড়ি পাশের গোস্বামীগ্রামে। কয়েক বছর আগে দাদা ও সুমন্তর বাবা বাড়ি করে মেজিয়ায় উঠে আসেন। সেই সূত্রে অমিত ও সুমন্তর বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। মিলনবাবু  বলেন পাম্প থেকে না ফেৱায় দাদা নিজে পাম্পে গিয়ে  কর্মীদের জিজ্ঞাসা করলে তারা জানায় অমিত বাড়ি চলে গেছে। তারপর হাসপাতালে গিয়ে একমাত্র ছেলের মৃত্যু সংবাদ শুনে জ্ঞান হারান অশোক বাবু। পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। 

Loading...