বাড়ি অন্যান্য ফোনেই ঘরে পৌঁছে যাচ্ছে মদ, আসক্ত হয়ে পড়ছে যুব সমাজ

ফোনেই ঘরে পৌঁছে যাচ্ছে মদ, আসক্ত হয়ে পড়ছে যুব সমাজ

392
0

শিলিগুড়ি, ১৯ ডিসেম্বর:‌ এক ফোনেই মদের হোম ডেলিভারি শিলিগুড়িতে। রাতের অন্ধকারে সাইকেলে করে বাড়ির দরজায় দরজায় পৌঁছে যাচ্ছে পছন্দমতো দেশি–বিদেশি সুরা। শহরের পাড়ায় পাড়ায় এখন এই নতুন ব্যবসা পেতে বসেছে কিছু মদ ব্যবসায়ী। রাত হলেই সাইকেল করে বেরিয়ে পড়ছে রাস্তার অলি–গলিতে। ফোন করতেই নিমেষের মধ্যে উপস্থিত ক্রেতার কাছে। কি লাগবে?‌ সবই তার ঝোলায় হাজির। নাম বলতেই বেরিয়ে পড়ছে একের পর এক দেশি–বিদেশি মদের বোতল। দামও খুব একটা বেশি নয়। মাত্র ১০ টাকা বেশি দিলেই হাতের কাছে পেয়ে যাচ্ছে মদ। শহরে শীতের আমেজ পড়তেই ব্যবসা বেড়েছে এই অবৈধ ব্যবসায়ীদের। ফলে মদে আসক্ত হয়ে পড়ছে সমাজের যুব সমাজ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যবসায়ী জানায়, কি করবো বলেন। যারা অর্ডার দেন, তারা তো দোকানে যাবেনই। তাই বাড়ি গিয়ে বা রাস্তায় গিয়ে দিয়ে আসি।’‌ শহরে শীত জাঁকিয়ে বসতেই ব্যবসা বেড়েছে এই অবৈধ মদ সরবরাহকারীদের। আর ঘরে বসেই মদের হোম ডেলিভারি পেয়ে যাওয়ায় খুশি মদ্যপায়ীরা। ক্রেতারাও খুশি।প্রসঙ্গত, শিলিগুড়ি শহরের শক্তিগড়, টিকিয়াপাড়া, মিলনপল্লী, দেশবন্ধুপাড়া, হায়দরপাড়া, সুভাষপল্লী সহ বেশকিছু এলাকায় সাইকেলে করে মদ বিক্রি হচ্ছে। পুলিস প্রশাসনের আড়ালেই এই ব্যবসা করা হচ্ছে বলে স্বীকার করে নিয়েছেন বিক্রেতারা। মাত্র কয়েক মাস ধরেই এই ব্যবসা জাঁকিয়ে বসেছে শহরে। বিক্রেতাদের থেকে নেওয়া মদ ভেজাল কিনা তা অবশ্য জানে না কেউই। বিষয়টি নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ ক্রেতারাও। তাদের কথায় ফোন করলেই হাতের কাছে পেয়ে যাচ্ছি। অনেকদিন ধরেই মানুষ নিচ্ছে। ভেজাল নয় বলে দরাজ সার্টিফিকেটও দিয়ে দিয়েছেন তারা। শিলিগুড়ি থানার আইসি দেবাশীষ বোস বলেন, ‘‌‌আমাদের নজরে এখনও বিষয়টি আসেনি। সাদা পোশাকের পুলিশ বাহিনী সবসময় টহলদারি করছে। অভিযোগ এলেই অবশ্যই আমরা অভিযান চালাব। শহরে এ সব হতে দেওয়া যাবে না।’‌‌‌

Loading...