বাড়ি খেলা ফের খুলে গেল সংস্কারলব্ধ কিশোরভারতী ক্রীড়াঙ্গণ

ফের খুলে গেল সংস্কারলব্ধ কিশোরভারতী ক্রীড়াঙ্গণ

27
0

কলকাতা, ৮ ফেব্রুয়ারি :  সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বোধন করলেন সংস্কারলব্ধ কিশোরভারতী ক্রীড়াঙ্গণের। এ দিন সন্ধ্যা ৭টায় আই লিগের চার্চিল ব্রাদার্স বনাম রিয়েল কাশ্মীরের খেলা হবে। কয়েক বছর ধরে চলছিল স্টেডিয়ামের সংস্কারের কাজ। দুপুরে নেতাজি ইন্ডোর থেকে দূর নিয়ন্ত্রণে মুখ্যমন্ত্রী এর উদ্বোধন করলেও স্টেডিয়ামের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিছু জনপ্রতিনিধি ও ক্রীড়া দফতরের কিছু কর্তাব্যক্তি। উদ্বোধনের পর গত বাম সরকারকে এক হাত নিয়েছেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এই প্রতিবেদককে তিনি বলেন, “কান্তি গাঙ্গুলিরা তো আমাদের উন্নয়ন চোখে দেখেননা! ওঁরা দেখে যান। আগে এখানে গরু চড়ত। আমরা কী করেছি!“
জবাব দিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী কান্তিবাবুও। প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে হিন্দুস্থান সমাচারকে বলেন, “ওঁরা সত্যিকথা বললে খুশি হতাম। হ্যাঁ, একসময় এখানে গরু চড়ত। আমরা জমি অধিগ্রহণের পর আধুনিক স্টেডিয়াম হয়েছে। আমরা প্রকল্পের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা বরাদ্দের পর নির্মাণকাজ শুরু করি। দোতলা পর্যন্ত হয়। এর পর ওঁরা এসে আরব্ধ কাজ শেষ করতে প্রায় ১০ বছর লাগল। একটাই রক্ষে, আমাদের দেওয়া কিশোরভারতী ক্রীড়াঙ্গণ নামটা বদলে দেয়নি। 
প্রায় সাড়ে ১০ একর জমিতে তৈরি এই ক্রীড়াঙ্গণে আছে ১০৫ মিটার দীর্ঘ ও ৬৮ মিটার চওড়া খেলার জায়গা। ভিআইপি ও মিডিয়া-সহ ১৪,১০০ টি দর্শকাঢ়ন। বক্স অফিস দুটি, ভিআইপি প্রবেশ-সহ মোট সাতটি ফটক। এ ছাড়াও ফ্লাডলাইট, দুটি আলোচনাকক্ষ, খেলোয়ারদের পোষাক বদলের দুটি কক্ষ, রেফারিদের পোষাক বদলের দুটি কক্ষ, ডোপ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, চিকিৎসাঘর, বল-বালকদের ঘর, সম্প্রচার, ভিওসি, সিসিটিভি নিয়ন্ত্রণকক্ষ, সংবাদমাধ্যমের কক্ষ, ম্যাচ কমিশনারের দুটি ঘর, নজরদার কক্ষ, জল পরিশোধনাগার প্রভৃতি। 
১৯৮৫ সালের শেষদিকে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু কিশোরভারতী ক্রীড়াঙ্গণের উদ্বোধন করেছিলেন। কান্তিবাবুর দাবি, অনেক খেলা এমনকি ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান ম্যাচও এখানে করিয়েছি। সব প্রকল্পই ধাপে ধাপে উন্নীত হয়। এটাও হয়েছে। অন্যদিকে অরূপ বিশ্বাসের বক্তব্য, কী হয়েছে একবার দেখে যান। এ রকম মানের স্টেডিয়াম উপহার দিতে পেরে আমরা গর্বিত। 

Loading...