বাড়ি প্রথম পৃষ্ঠা তিক্ততা ভুলে জগন্নাথ দর্শন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর

তিক্ততা ভুলে জগন্নাথ দর্শন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর

167
0

 তিক্ততা ভুলে পুরীর মন্দিরে পুজো দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায। হিংসা ভুলে ্প্রত্যেকে যাতে শান্তিতে দেশে বাঁচতে পারেন, সেই কামনা করেই পুজো দেওযা বলেই জগন্নাথ দেবদর্শনের পর জানান তিনি। তিনদিনের জন্য ওড়িশা সফরে গিযেেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনাযে এবং শুক্রবার অমিত শাহের পৌরোহিত্যে ইস্টার্ন রিজিওনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠকে যোগ দেওযার কথা রযেে তাঁর।
2017 সালেও পুরীর মন্দিরে গিযেিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায। তবে মুখ্যমন্ত্রী গোমাংস ভক্ষণের অধিকারের পক্ষপাতী হওযায সেই সময তাঁকে মন্দিরে ঢুকতে বাধা দেয শ্রী জগন্নাথ সেবাইত সম্মিলনী। তা নিযে ক্ষোভ্প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই অনুযাযী এবার যাতে কোনও অশান্তি তৈরি না হয সেদিকে বিশেষ নজর ছিল ওড়িশা পুলিশের। ৱুধবার সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হযেিল মন্দির চত্বর। দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে পৌ ছন বাংলার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায। একেবারে গর্ভগৃহে ঢুকে পুজো দেন তিনি। বেশ কিছুক্ষণ পর পুজো সেরে মন্দির থেকে বেরিযে আসেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দিল্লির পরিস্থিতি দেখে আমার খুব দুঃখ হযেে। হিংসা আমরা চাই না। দেশের ্প্রত্যেকে শান্তিতে থাকুক এটাই চাই। মানুষের শান্তিতে থাকুক। আমি এসেছি শান্তির জন্য। সকলের শুভকামনা করতেই মন্দিরে এসেছি।
পুজো দেওযার আগেই দিল্লির হিংসা নিযে একটি কবিতাও লেখেন মুখ্যমন্ত্রী। হিংসা ভুলে শান্তির ্প্রতিফলনই যে সমাজের জন্য ্প্রযোজন তাই উঠে এসেছে মুখ্যমন্ত্রীর কলমে।
আজ অর্থাত্ বৃহস্পতিবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনাযকের সঙ্গে বৈঠকের কথা রযেে তাঁর। আগামী শুক্রবার ভুবনেশ্বরের একটি পাঁচতারা হোটেলে ইস্টার্ন রিজিওনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠক হওযার কথা। কেন্দ্রীয স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পৌরহিত্যে এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বাংলা, বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড ও ছত্তিশগড়“সহ মোট পাঁচটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবরা। ওই বৈঠকে রাজ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত সমস্ত অন্তর্দেশীয সীমান্তের পরিস্থিতি নিযে একটি বিশেষ রিপোর্ট কেন্দ্রীয স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে তুলে দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যয। আপাতত ওই বৈঠকের দিকেই নজর রযেে রাজনৈতিক মহলের।

Loading...