বাড়ি রাজ্য ডায়মন্ড হারবারে চালু হল করোনা হাসপাতাল

ডায়মন্ড হারবারে চালু হল করোনা হাসপাতাল

10
0

সৈকত ঘোষ, ডায়মন্ড হারবারঃ দুর্গা পুজোতে করোনা সংক্রমন বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কায় স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশে ডায়মন্ড হারবার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরের মধ্যেই পৃথক কোভিড হাসপাতাল চালু করা হয়। দিন যত এগোচ্ছে কোভিড হাসপাতলে বাড়ছে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। ডায়মন্ড হারবার স্বাস্থ্য জেলায় করোনা সংক্রমিতদের আর পাঠানো হচ্ছেনা কলকাতার করোনা হাসপাতালগুলিতে। এখন থেকে আক্রান্তদের চিকিৎসা হচ্ছে নবনির্মিত ডায়মন্ড হারবার কোভিড হাসপাতালে।মেডিকেল কলেজ সূত্রে খবর বেশ কয়েক মাস আগেই করোনা হাসপাতালের জন্য তোড়জোড় শুরু করে জেলার স্বাস্থ্য দপ্তর। প্রথমে হাসপাতালের সুপারস্পেশালিটি ভবনে করোনা চিকিৎসার কথা ভাবা হলেও পরে পুরানত ভবনের কাছেই কোভিড হাসপাতাল তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। করোনা পরিস্থিতির শুরুতেই হাসপাতালের পুরাতন ভবনের পাশের একটি চারতলা ভবনে আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি করা হয়েছিল। ওই ভবনটিতেই করোনা হাসপাতাল গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয় মেডিকেল কলেজে কর্তৃপক্ষ। গত ১৮ অক্টোবর থেকে চালু হল নতুন এই কোভিড হাসপাতালটি। এটি ‘লেভেল ৩’ এবং ‘লেভেল ৪’ ধরনের কোভিড হাসপাতাল হিসাবে তৈরি করা হয়েছে। আক্রান্ত রোগীদের জন্য ভবনের একতলা ও দোতলায় বেড রাখা হয়েছে। আপতত হাসপাতালে বেডের সংখ্যা ৩৬ হলেও আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বেডের সংখ্যা বাড়িয়ে ৮০ করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ২৪ জন করোনা আক্রান্ত। আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল ড. উৎপল দাঁ ও ভাইস প্রিন্সিপাল ডা. রমাপ্রসাদ রায়ের নেতৃত্বে জেনারেল মেডিসিন এবং চেস্ট মেডিসিনের অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে একটি বিশেষ মেডিকেল টিম গঠিত হয়েছে। কোভিড হাসপাতালে আক্রান্তদের চিকিৎসার মূল দায়িত্বে রয়েছে অধ্যাপক ইন্দ্রনীল ঠাকুর, শান্তনু সাহা ও সুজিত ভট্টাচার্য।তবে মেডিকেল কলেজের প্রত্যেক বিভাগের চিকিৎসক এবং জুনিয়র চিকিৎসকরা সময় করে কোভিড হাসপাতালে এসে রোগীদের দেখে যাচ্ছেন। তিনটি সিফটে কাজ করছেন নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা। পুরো ব্যবস্থাপনা নিত্যদিন খতিয়ে দেখছেন সুপ্রিম সাহা, মলয় পাত্র, রূপর্না দে রায় সহ অন্যান্য এসিস্টেন্ট সুপাররা। পাশাপাশি রোগীদের দেখভালের জন্য মহকুমা প্রশাসনের তরফে হাসপাতালে রাখা হয়েছে করোনা যোদ্ধাদের। এ বিষয়ে ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ভাইস প্রিন্সিপাল ডা. রমাপ্রসাদ রায়  বলেন “ডায়মন্ড হারবার স্বাস্থ্য জেলার মধ্যে করোনা উপসর্গ যুক্ত কোন ব্যক্তি র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট কিংবা আরটিপিসিআর টেস্টে পজেটিভ হলেই তাঁকে আমাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। তবে উপসর্গহীন করোনা আক্রান্তদেরকে আমরা সেফহোম কিংবা হোম আইসোলেশনের পরামর্শ দিচ্ছি।”

Loading...