বাড়ি রাজ্য ঝাড়গ্রাম জল সংকট

জল সংকট

107
0

ঝাড়গ্রাম, ১৩ এপ্রিল :  দীর্ঘদিন ধরে চলছে লকডাউন,তার মাঝে গ্রীষ্মের দাবদাহ,প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে শুরু হয়েছে জল সংকট।  ঝাড়গ্রামের সাঁকরাইল ব্লকের খুদমড়াই অঞ্চলের ন্যাকড়াশুলি গ্রামের পানীয় জলের কষ্ট দেখা দিয়েছে বলে গ্রামবাসীদের অভিযোগ।ন্যাকড়াশুলি গ্রামে প্রায় একশো দশ ঘর পরিবার রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।গ্রামবাসীদের বক্তব্য গ্রামে বর্ষায় পানীয় জলের কোন সঙ্কট দেখা যায় না। কিন্তু গরম পড়তেই জল সঙ্কট দেখা দেয়।গ্রামে একটি জন স্বাস্থ্য দফতরের পানীয় জলের প্রকল্প রয়েছে।এর অধীন পাম্পের সাহায্যে বিভিন্ন ট্যাপ কলের মাধ্যমে গ্রামের মানুষেরা জল পান।টাইম এই কলগুলির মাধ্যমে সকাল এবং বিকেল দুবার জল আসে।কিন্তু গ্রামবাসীদের অভিযোগ মাত্র দুই বার  যে জল আসে তাতে গ্রামের মানুষেরা পর্যাপ্ত জল পান না।তাদের অভিযোগ এই জলের সাহায্যেই পান করা সহ গৃহস্থের প্রয়োজনীয় সমস্ত কাজ করতে হয়।কিন্তু এই দুবার জল সংগ্রহ করে তাদের সব কাজ করা সম্ভব হয় না।বিশেষ করে গ্রামের দরিদ্র পরিবার গুলির খুবই কষ্ট হয়।যাদের ব্যক্তিগত পাম্প বা কুঁয়ো রয়েছে তাদের ক্ষত্রে সমস্যা অতটা হয় না।তাই গ্রামবাসীদের দাবি জনস্বাস্থ্য করিগরি দফতরের ওই জল প্রকল্পের পাম্প থেকে যাতে তিন থেকে চার বার জল চালানো হয়।এই দাবি নিয়ে গ্রামের মানুষেরা স্থানীয় গ্রামপঞ্চায়েতের কাছে আবেদন করেছেন।কিন্তু তাতেও কোন কাজ হয়নি।এছাড়া তারা মৌখিক ভাবে বিষয়টি ব্লকের বিডিওর কাছে জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।গ্রামবাসীদের একান্ত দাবি তাদের জল সঙ্কট দূর করতে তিন থেকে চার বার পাম্প চালিয়ে জল দেওয়া হোক।ন্যাকড়াশুলি গ্রামের বাসিন্দা ধিমান মাহাতো বলেন “ গরম পড়তেই গ্রামে জল কষ্ট দেখা দেয়।জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের জল প্রকল্প থেকে তিন বার জল ছাড়া হলে গ্রামের মানুষদের অনেকটা সুবিধা হবে।গ্রীষ্ম কালেই এই জল কষ্টা দেখা দেয়।” এই বিষয়ে সাঁকারইল ব্লকের বিডিও মিঠুন মজুমদার বলেন “ বিষয়টি নিয়ে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের সাথে কথা বলব”

Loading...