বাড়ি রাজ্য গোপন সূত্রে মারফত গরু পাচার ইস্যুতে আগেই তথ্য সংগ্রহ করেছিল সিবিআই

গোপন সূত্রে মারফত গরু পাচার ইস্যুতে আগেই তথ্য সংগ্রহ করেছিল সিবিআই

56
0

মৃত্যুঞ্জয় সরদার:বহু প্রাচীনকাল থেকে শুনে আসছে মানুষ, একটি প্রবাদ বাক্য চোরের মায়ের বড় গলা। আজকের যুগে দাঁড়িয়ে চোর চুরি করলে সে কথা স্পষ্ট করে বলা বড় দায়। যে বলতে যাবে তার জীবন জীবিত থাকবে কিনা সেটা ভাবতে হয় বহুবার। আরেকটি প্রবাদ বাক্য এই লেখাটির মধ্যে সংযোগ না করলে লেখাটির সম্পূর্ণ রূপ পাবে না , সৎ  ও   ভাত নেই।বর্তমান যুগে মানুষ সবকিছু জেনে বুঝে বহু আত্তাচার অনাচার-অবিচার এবং সত্য কথা মুখ বুঝে সহ্য করে।সারা ভারত বর্ষ তথা রাজ্যের আমলাতন্ত্র ও রাজনৈতিক নেতারা করাপশন ও করাপ্টেড হয়ে আছে তাই অসাধু চক্র চোরাচালানকারীরা এতটাই সক্রিয় রয়েছে দেশজুড়ে।সর্বদাই সাধারণ মানুষকে অন্ধকারে রেখে নিজেদেরকে ক্ষমতায় টিকে থাকার মুনাফা লুটে রাজনৈতিক নেতারা।দেশের রাজ্যের যত দুর্নীতি খুন রাজহানী ও অবিচার অত্যাচার সবি কোন না কোন দেশের মাথাদের ইঙ্গিতে পরিচালনা হয়, একথাটি কোনদিন তদন্তে তুলে আনতে পারেনা সৎ নিষ্ঠাবান পুলিশ অফিসার ও অন্যান্য আধিকারিকরা।বাধ্য হয়ে এই সব দুর্নীতি সাথে হাত মিলিয়ে বসে থাকে আধিকারিকরা নিজেদের স্বার্থের জন্য।সত্যি কথা বলতে গেলে মাস মাইনে পাওয়ার থেকে উপরি ইনকাম করা টাই বেশি উদ্দেশ্য থাকে আমলাতন্ত্রের একাংশদেব।সব সাংবাদিক বা পুলিশের গুপ্তচরেরা যদি উচ্চপদস্থ আধিকারিক এর কাছে এই সঠিক খবরটা দিয়ে দেয়, তাহলে তার পরিণতি আরো ভয়ঙ্কর থেকে ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাকে খুন করতে পারে। তা না হলে একাধিক মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের দিয়ে হেনস্তা করানো হয়। তার উদাহরণ দেশজুড়ে।ভারত বর্ষ তথা রাজ্যের দুর্নীতিগ্রস্ত পাচারকারী চোরাচালানকারীদের কে গোপনে সাহায্য করে আমলাতন্ত্রের একাংশ সহ বড় বড় রাজনৈতিক নেতাদের। তেমনি উদাহরণ বহুবার পুলিশ প্রশাসনের ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কাছে খবর ছিল।গরু পাচার চক্র সক্রিয় ভাবে কাজ করছে তেমনি খবর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কাছে  একাদিক ভাবেই ছিল। কিন্তু প্রমাণ স্বরূপ হাতেনাতে ধরার অপেক্ষায় তারা বহু কাজ কর ছিলো।তাই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গরু পাচার রোধ করতে এবার তৎপর হয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা-সিবিআই। এই লক্ষ্যে এখন তারা জোর তৎপরতা চালাচ্ছে ।ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ সীমান্তের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকলেও তাদের তরফ থেকে সিবিআইয়ের কেন্দ্রীয় দপ্তরে দেওয়া এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে এই গরু পাচার রোধে আরও বেশি তৎপর হতে বলা হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়। এখন সীমান্তে নিত্যনতুন উপায়ে গরু পাচারের ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে নতুন রুটে এবং নতুন কৌশলে এই গরু পাচারের চেষ্টা চলছে। এতে উদ্বিগ্ন বিএসএফ। তাই তারা বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করেছে সিবিআইকে।গরু পাচার কিভাবে হয়, আমার জিবনে দীর্ঘ ১৬ বছর সাংবাদিকতা জীবনে যেটুকু নিজে চোখে দেখা ও কিছুটা পত্রপত্রিকা থেকে পড়ে সংগ্রহ করে তথ্য আজ আমি আমার কলমে তুলে ধরছি।সীমান্ত জুড়ে কাঁটাতারের বেড়া। দুপাশে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র হাতে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর কড়া নজরদারি। রয়েছে দুদেশের পুলিস ও শুল্ক দফতর। এতসমস্ত নজরদারিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই রমরমিয়ে চলছে গরু পাচার। প্রতিদিন শুধু এ রাজ্য সংলগ্ন সীমান্ত দিয়েই বাংলাদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে কমপক্ষে ১৫ হাজার গরু। কিন্তু কীভাবে? কোন পথে? গরু পাচার চক্রের দালালরা সক্রিয় সারা দেশ জুড়ে। পঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ কিংবা এ রাজ্যের গরুর হাট থেকে দালালরা গরু কেনেন। তারপরই লরিতে সেগুলি রওনা হয়ে যায় সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির দিকে….মূলত রাজ্যের মধ্যে উত্তর চব্বিশ পরগনা, নদিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সুন্দরবন, বারুইপুর,  ডায়মন্ড হাবরা জেলার সীমান্তবর্তী অংশ দিয়েই গরু পাচারের রমরমা।তবেই  সীমান্তের বেশিটাই কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা। কিছু জায়গায় দু-দেশের মাঝে আছে নদী। শুধু এই দুই জেলাতেই আছে গরু পাচারের ২৫টি আলাদা রুট। এরকমই এক পাচার পথের হদিশ পেলাম মিলেছে। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর কাছে আংরাইল-ঝাউডাঙ্গা সীমান্ত। এই সীমান্ত বরাবর রয়েছে কাঁটাতারের বেড়া। কোথাও আবার ইছামতি নদীই সীমানা নির্ধারণ করছে। দিনে-রাতে গরু বোঝাই লরি এসে পৌছচ্ছে এই সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে। দিকে সুন্দরবনের নদীর মরিচঝাঁপি সহ অন্যান্য পথ দিয়ে। এই গরু গুলো ঠিক কোন রাজ্য থেকে আসে সেটি এই লেখার মধ্যে তুলে ধরছি।
ভারত থেকে যে গরু বাংলাদেশে পাচার হয়, সেগুলি প্রায় সবই আসে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশের মতো রাজ্যগুলি থেকে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তে আসতে হলে তাদের অন্তত তিন-চারটি রাজ্যের অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হয়।এছাড়াও তারা উল্লেখ করছে, যে পাচারের জন্য অনেক ক্ষেত্রেই কলার ভেলায় বেঁধে নদীতে গরু ভাসিয়ে দেওয়া হয়। সেগুলি যখন বাংলাদেশের দিকে পাচারকারীরা স্পিড বোটে চেপে নদী থেকে তুলতে যায়, তাতে কখনও কখনও বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডসের সম্মতি থাকে।এই সব পাচারকারীদের বিভিন্ন কৌশল যা পুলিশ প্রশাসন ও বিএসএফের নজর এড়িয়ে বেশির ভাগ করার চেষ্টা করে।গরু পাচারের স্বর্গরাজ্য হলদিবাড়ির বেলতলি এলাকার তিস্তানদী। গরুর পিঠের উপর নম্বর লাগানো থাকে। চরের মধ্যে দিয়ে সীমান্তের কাছাকাছি নিয়ে গিয়ে জলের মধ্যে গরুদের নামিয়ে দেওয়া হয়। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে খবর আদানপ্রদান হয়। নম্বর দেখে ওপারের গরু শনাক্ত করে যার যার গরু সে সে নিয়ে নেয়। বিএসএফের কাছে স্পিডবোট, নাইটভিশন ক্যামেরা সব থাকা সত্ত্বেও পাঁচ কিমিলম্বা তিস্তার চরে নজর সব সময় কড়া থাকে না। অন্যদিকে বোমা ফাটিয়ে
মালদহের হাটে গরু বিক্রি করা হবে বলে বিহার ও ঝাড়খণ্ড থেকে নদী ও সড়ক পথে নিয়ে আসা হয় গরু। সীমান্তের চার কিলোমিটার আগে একদল কারবারী গরু পৌঁছে দেয়। তাদের গরু প্রতি ৫০০ টাকা করে মজুরি দেওয়া হয়। আর যারা সীমান্ত পার করে, তারা প্রতি গরুতে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা করে পায়। জল সাঁতরে গরু পাচার করা হয়। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, পিছু নিলে জলের মধ্যেই বোমা ফাটায় পাচারকারীরা।একদিকে লেজ ধরে ভেসে ওপারে,  হয় গরু পাচার হয়।হিলি সীমান্তের ভরা যমুনায় হিলি বাজার থেকে মাত্র এক কিলোমিটার নদী পথে গরুকে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। পাশেই বিএসএফ চৌকি এবং থানা। পাচারকারীরা গরুর ল্যাজ ধরে ভেসে থাকে। স্রোতের টানে নদীতে ভেসে গরু সমেত সোজা ওপারে। বছর দুয়েক আগে এমন পাচার রুখতে বিএসএফের এক জওয়ান মারা যান। এখানে পাচারকারী থেমে থাকেনি,উত্তরে মালদহ জেলা এবং মুর্শিদাবাদের মাঝখান দিয়ে বয়ে গিয়েছে বিশাল গঙ্গা নদী। ঠিক পূর্ব প্রান্তে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ। অন্ধকার নামতেই ভারত থেকে গঙ্গা নদী হয়ে চোরাপথে বাংলাদেশের পথে শয়ে শয়ে গরু। পুলিশ প্রশাসন এবং বিএসএফের নজরদারি এড়িয়ে বআবার শুরু হয়ে গিয়েছে সীমান্ত দিয়ে এভাবে গরু পাচার। একই সঙ্গে যেহেতু বর্ষা নেমে গিয়েছে সেহেতু এই চোরাপথ ব্যবহার করতে চোরাপাচারকারীদের আরও সুবিধা হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহালমহল। এদিকে
স্বক্রিয় ভারত ও বাংলাদেশের কুখ্যাত পাচারকারী সিন্ডিকেট। বিগত কয়েক বছরে এই দুই সিন্ডিকেটের আয় প্রতিমাসে আনুমানিক ২২৫ কোটি ভারতীয় টাকা। সমস্ত টাকা মেটানো হচ্ছে হুন্ডার(ঠিকা) মাধ্যমে। যাকে পাচারকারীরা টিটি বলে। উত্তর প্রদেশ বিহার থেকে সড়কপথে মালদহের কালিয়াচক, বৈষ্ণবনগর, মুর্শিদাবাদের সুতি, নিমতিতা, অর্জুনপুর এলাকায় জমা করা হয় গরু। এই গরু পাচারের জন্য ব্যবহার করা হয় এক ধরণের টোকেন স্লিপ অর্থাৎ পাচারকারী সিন্ডিকেট একটি কাগজে লিখে দিচ্ছে কতগুলো গরু কোন রাখালের মাধ্যমে কোন এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে যাবে।তবে
সীমান্তে গরু পাচারের বিষয়টিকে ২০১৬ সালে ‘সংগঠিত অপরাধ’ বলে উল্লেখ করে বাহিনীর প্রধান কে কে শর্মা জানান, এই ক্ষেত্রে এফআইআর দাখিল করা থেকে শুরু করে অভিযুক্তদের চিহ্নিতকরণ এবং পাচার রোধ করতে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা যাবে বিএসএফ-কে।তিনি বলেন, আমরা এই সমস্যা সমাধান করার জন্য সর্বান্তকরণে চেষ্টা চালাচ্ছি। এর জন্য সব পক্ষের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। এব্যাপারে বাংলাদেশ সীমান্তে মোতায়েন বাহিনীর ফিল্ড কম্যান্ডার এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় গড়ে তুলতে।শর্মা জানান, ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি, স্থানীয় পুলিশের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। বিএসএফ প্রধানের মতে, গরু-পাচারের সঙ্গে যারা জড়িত, তারা স্রেফ ক্যুরিয়ার। অল্প টাকার বিনিময়ে এই কাজ করে।তিনি জানান, সাম্প্রতিক অতীতে এই অপরাধের জন্য শতাধিক মামলা রুজু করা হয়েছে। বিএসএফ-এর দাবি, এই অঞ্চল দিয়ে প্রতি বছর কয়েক শ’কোটি টাকার বেআইনি গরু-পাচার হয়।  এসব রুখতে,
গরু পাচার নিয়ে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি শুরু করল সিবিআই । বুধবার সকাল থেকে অভিযান চলছে রাজারহাট, সল্টলেক, তপসিয়ায়। এছাড়াও মুর্শিদাবাদের বহরমপুর, লালগোলা এবং শিলিগুড়ি-সহ বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু হয়েছে ।গোপন সূত্রে মারফত গরু পাচার ইস্যুতে আগেই তথ্য সংগ্রহ করেছিল সিবিআই। সেই অনুযায়ী বুধবার সকাল থেকেই কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে ম্যারাথন তল্লাশি। সল্টলেকের সিটি সেন্টার টু’র পাশেই বিএসএফের কমান্ড্যান্ট সতীশ কুমারের বাড়িতেও চলছে তল্লাশি। যদিও তিনি কর্ণাটকে থাকেন ।
জানা গেছে , সীমান্ত এলাকায় কাজ করার সময় গরু পাচারের ক্ষেত্রে নানাভাবে সাহায্য করেছিলেন সতীশ কুমার। তাঁর বাড়ি থেকে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। যা তদন্তে সাহায্য করবে । এমনটাই অভিমত তদন্তকারী আধিকারিকদের ।তার পাশাপাশি তদন্তকারী আধিকারিকদের নজরে রয়েছেন মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা ইমানুল এবং ম্যাথিউ নামে আরও এক বিএসএফ কমান্ড্যান্ট। ইতিমধ্যে সিবিআই ম্যাথিউ এবং ইমানুলকে গ্রেপ্তার করেছিল । বেশ কয়েকজনকে জেরা করে তথ্য সংগ্রহ করেছেন সিবিআই আধিকারিকরা ।২০১৪ থেকে ২০১৬ সালে বাংলাদেশে গরু পাচার রুখতে  বহু পরিকল্পনা নিয়েছিল কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার।২০১৬ সালে
সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছে যে উৎসস্থলে যদি গরুগুলিকে আটকানো যায়, অথবা যে সব রাজ্য দিয়ে গরু আনা হচ্ছে, সেখানকার পুলিশবাহিনী যদি গরুবাহী ট্রাক আটকিয়ে দিতে পারে, তাহলে পাচারকারীরা সীমান্ত অবধি পৌঁছতেই পারবে না। পাচার নিয়ন্ত্রণ করা বিএসএফের পক্ষে অনেক সহজ হয়ে যাবে।সেই সময়ে বিএসএফের অবসরপ্রাপ্ত ডিআইজি সমীর মিত্র  বলছিলেন, “হরিয়ানার এই ব্যবস্থাকে সাধুবাদ জানাতেই হবে। আমরা তো অনেকদিন ধরে বলে আসছি যে উৎসস্থলেই গরুগুলোকে আটকাতে হবে। বিএসএফের দায়িত্ব তো সীমান্ত থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার। তার আগেই অন্যান্য রাজ্য পুলিশ বাহিনী অথবা এক্সাইজের মতো সরকারি এজেন্সিগুলো যদি তৎপর হয়, তাহলে পাচারকারীদের সাপ্লাইটাই বন্ধ করা যাবে। অন্য যেসব রাজ্যগুলো থেকে গরু আসে, তাদেরও এই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।“হরিয়ানার বিজেপি শাসিত সরকার গত বছরের শেষ দিকে গরুপাচার রোধে একটা খুব কঠোর আইন প্রণয়ন করেছে, যার মধ্যে গরুপাচারকারীদের জন্য কড়া শাস্তির ব্যবস্থাও রয়েছে। গরু জবাই, গরুর মাংস রাখা বা খাওয়া হরিয়ানায় নিষিদ্ধ। তৈরি হয়েছে গো-সেবা কমিশনও নামে একটা সাংবিধানিক সংস্থা।ওই কমিশনের চেয়ারম্যান ভানি রাম মঙ্গলার কথায়, “হরিয়ানা থেকে একটা গরুও পাচার হতে দেব না আমরা। রাজ্যের বাইরে যাওয়ার সব রাস্তায় চেকপোস্ট গড়া হয়েছে। নিয়মিত তল্লাশি চলছে। গ্রাম স্তরে স্বেচ্ছাসেবকরাও রয়েছেন কোনওভাবে গরু পাচার হচ্ছে কী না, তার ওপর নজর রাখার জন্য। রাজ্য থেকে শুধু সেই গরুই বাইরে নিয়ে যাওয়া যাবে, যেগুলো দুধেল গাই। তারজন্য বিশেষ পারমিটের বন্দোবস্ত করেছি আমরা।

Loading...