বাড়ি রাজ্য nadia করোনা আবহে মাস্ক বাধ্যতামূলক করতে নবদ্বীপের পথে নামল প্রশাসন।

করোনা আবহে মাস্ক বাধ্যতামূলক করতে নবদ্বীপের পথে নামল প্রশাসন।

33
0

কোরোনা আবহে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে নবদ্বীপের পথে নামল প্রশাসন। নিজস্ব সংবাদদাতা , নবদ্বীপ । মাস্ক ছাড়া রাস্তায় বের হলেই,আর্থিক জরিমানা নয়, কিছু সময়ের জন্য আটকে রাখা হচ্ছে বাইক, সাইকেল সহ সঙ্গে থাকা যানবাহনের চাবি। মাস্ক পড়ার অঙ্গীকারের পরই মিলছে সেই চাবি। আনলক পর্বে যেভাবে দিনের পর দিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাস্ক পড়ার প্রবণতা ততই কমছে। সরকারি বিধি নিষেধ থাকলেও কুছ পরোয়া নেই। কিছু মানুষ মানলেও বেশকিছু মানুষ সরকারি বিধি নিষেধ মানছেন না। মাস্ক ব্যবহার থেকে সামাজিক দূরত্ব থেকে শুরু করে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করছেন না অনেকেই। করোনা প্রতিরোধে সাধারণ মানুষদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে অবশেষে পথে নামল নদিয়ার নবদ্বীপ থানার পুলিশ। এদিন পুলিশের পক্ষ থেকে যেমন মাস্ক বিহীন মানুষের মধ্যে যেমন বিলি করা হল মাস্ক, তেমনই রাস্তায় বের হওয়া মাস্ক বিহীন বাইক আরোহীরদের বাইকের চাবি নিয়ে শাস্তি স্বরূপ কিছু ঘন্টা চাবি আটকে রাখা। মাস্ক বিহীন মানুষকে আর্থিক জরিমানা না করে তাদের গাড়ি, বাইক এবং সাইকেলের চাবি  দু এক ঘন্টার জন্য থানায় আটকে রাখা। পাশাপাশি সেসব মাস্ক বিহীন বাইক আরোহীরা থানায় এসে এ ধরনের কাজ সে আর করবে না, মাস্ক ছাড়া বাইক নিয়ে রাস্তায় বের হবেন না। এই মর্মে অঙ্গীকার করেই তবে বাইকের চাবি হাতে পায় মাস্ক বিহীন বাইক আরোহীরা। নবদ্বীপ থানার আই,সি কল্লোল ঘোষ বলেন গত মার্চ মাস থেকে লকডাউন চলছে। কোভিড – ১৯ এর প্রকোপের জন্য করোনা রোধে বিভিন্ন বিধি নিষেধ আরোপিত হয়েছে। চার মাস ধরে লকডাউন চলার পর শুরু হয়েছে আনলক পর্ব। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার জনগণকে বলা হচ্ছে রাস্তায় বের হলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও এবিষয়ে রাজ্যবাসীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন। প্রশাসন ও মুখ্যমন্ত্রী বারবার আবেদন করে বলেছে, যে করোনা থেকে বাঁচতে সামাজিক দূরত্বের পাশাপাশি মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। কিন্তু কিছু সংখ্যক মানুষ তা মানছেন না কিংবা বুঝছেন না। তিনি আরও বলেন, কয়েকদিন ধরে নবদ্বীপ থানার পক্ষ থেকে শহরের বিভিন্ন রাস্তা থেকে বাজারহাটে আসা মাস্ক বিহীন মানুষের মধ্যে মাস্ক বিতরণও করছি। এমনকি যারা মাস্ক ছাড়া গাড়ি,বাইক এবং সাইকেল চালাচ্ছেন, তাদেরও আর্থিক জরিমানা না করে করোনা সচেতনতা গড়ে তুলতে তাদের হাতে একটি করে মাস্ক তুলে দেওয়া হয়। কল্লোল কুমার ঘোষ আরও জানান, মাস্ক ছাড়া কোন ক্রেতাদের জিনিষ বিক্রি করতে দিচ্ছি না। এবিষয়ে দোকানদারদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে বলেছি। পাশাপাশি তাদের বলা হয়েছে যদি তারা এই নিয়ন না মেনে চলে তাহলে তাদের ব্যবসার কাগজপত্র বাজেয়াপ্ত করা হবে। এছাড়াও অযথা দোকানে ভিড় না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Loading...