বাড়ি প্রথম পৃষ্ঠা কবি জীবনানন্দের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য মুখ্যমন্ত্রীর

কবি জীবনানন্দের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য মুখ্যমন্ত্রীর

130
0

কলকাতা, ২২ অক্টোবর :   মঙ্গলবার কবি জীবনানন্দ দাশের ৬৬ তম প্রয়াণ দিবসে তাঁকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । এদিনের এই  বিশেষ দিনে  টুইটের মাধ্যমে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মুখ্যমন্ত্রী । এদিন টুইটে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ. খুঁজিতে যাই না আর… ‘রূপসী বাংলা’র কবি জীবনানন্দ দাশের প্রয়াণ দিবসে অন্তরের শ্রদ্ধা জানাই ।” ১৯৫৪ সালে ২২ অক্টোবর, মাত্র ৫৬ বছর বয়সে ট্রাম দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তাঁর । জীবনানন্দ দাশ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক । তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অন্যতম ।  গ্রামবাংলার ঐতিহ্যময় নিসর্গ ও রূপকথা-পুরাণের জগৎ জীবনানন্দ দাশের কাব্যে হয়ে উঠেছে চিত্ররূপময়, তাতে তিনি ‘রূপসী বাংলার কবি’ অভিধায় খ্যাত হয়েছেন । অনেকেই জীবনানন্দ দাশকে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল-পরবর্তী বাংলা সাহিত্যের প্রধান কবি বলে মনে করেন । তাঁর লেখা কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাব্য গ্রন্থ হল রূপসী বাংলা, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, বেলা অবেলা কালবেলা, শ্রেষ্ঠ কবিতা ইত্যাদি। জীবনানন্দ দাশের ‘বনলতা সেন’ কাব্যগ্রন্থ নিখিলবঙ্গ রবীন্দ্রসাহিত্য সম্মেলনে পুরস্কৃত (১৯৫৩) হয় । ১৯৫৫ সালে শ্রেষ্ঠ কবিতা গ্রন্থটি ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার লাভ করে । কবি হিসেবে উল্লেখযোগ্য জীবনানন্দ দাশ বেশ কিছু প্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনা ও প্রকাশ করেছেন । তবে ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুর পূর্বে তিনি ২১টি উপন্যাস এবং ১০৮টি ছোটগল্প রচনা করেছিলেন যার একটিও তার জীবদ্দশায় প্রকাশিত হয়নি । বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধকালে অনপনেয়ভাবে বাংলা কবিতায় তার প্রভাব মুদ্রিত হয়েছে । কবির মৃত্যুর পর ১৯৫৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৫৪) সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করে । বনলতা শুধু মানব মনেই নয় ,সাহিত্য কে সমৃদ্ধ করেছে । 

Loading...