বাড়ি অন্যান্য আর কবে ফিরে আসবে সুস্থ পরিবেশ তার দিন গুনছে মানুষ।

আর কবে ফিরে আসবে সুস্থ পরিবেশ তার দিন গুনছে মানুষ।

353
0

গোপাল মৈত্র, মালদা- দেশের সর্বত্র লক ডাউন, সকল দেশবাসী বিপদে। প্রত্যেকেই ত্যাগ শিকার করছেন দেশ ও দশের স্বার্থে।শুধু সরকারী সাহায্যের দিকেই তাকিয়ে নিতান্ত গরীব মানুষ। কবে শেষ হবে মহামারী আতঙ্ক করোনা আর ঠিক এই অস্বস্তিকর পরিবেশের মধ্যেই দেশের আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে তুলল কিছু বিবেক বুদ্ধিহীন মানুষ। গত ১৩ ই মার্চনিজামুদ্দিন মসজিদে ধর্মীয় সমাবেশে যোগ দিতে দেশী বিদেশীদের জমায়েত হয় সংখ্যায় প্রায় ৩৫০০ জন। ১৬ ই মার্চকেজরিওয়াল সরকার ঘোষণা করেন কোন ভাবেই ৫০ জনের বেশী জমায়েত করা যাবেনা তা সামাজিক, রাজনৈতিক বাধর্মীয় যে অনুষ্ঠানই হোক না কেন। কিন্তু এই নিসেধাজ্ঞা সত্ত্বেও জমায়েত নিজামুদ্দিন মসজিদে। মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া,
সউদি আরব, নেপাল, মায়ানমার, বাঙ্গালাদেশ, আফগানিস্থান, শ্রীলংকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, কুয়েত থেকে আসেন প্রতিনিধিরা।এর পর খবর ছড়িয়ে পড়তেই নড়ে চড়ে বসেন দিল্লী ও কেন্দ্রীয় সরকার। তরিঘড়ি ব্যবস্থা নিয়ে নিজামুদ্দিন এলাকার ১হাজার ৫৪৮ জনকে সরান হয় ও ১ হাজার ১০৭ বাসিন্দাকে কয়ারেনটিনে রাখা হয়। অনেকেরই করোনা উপসর্গ দেখা যায়এবং প্রায় ২৪ জনের রিপোর্ট পসেটিভ পাওয়া যায়। আর সেখান থেকেই ছড়ায় করোনা যার জেরে মৃত্যু সংখ্যা ৯ থেকেআরও বাড়তে থাকে। নিজামুদ্দিন কর্তৃপক্ষ অবশ্য সাফাই দেন ট্রেন ও বিমান পরিষেবা আচমকা বন্ধ হয়ে যাওয়ায়
অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আশা প্রতিনিধিরা ফিরতে পারেন নি। মসজিদ এই থেকে যান। দিল্লীর নিজামুদ্দিনে পশ্চিমবঙ্গ থেকে এইধর্মীয় সভায় যোগ দেন ৭৫ জন। যারা বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। তাদের খোঁজ চলছে প্রশাসনিক ভাবে।কিন্তু কেন এখন এত তৎপর প্রশাসন? কি করছিলো সরকার যখন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ধর্মীয় সমাবেশ চলছিল? যারা বিদেশিপাসপোর্ট নিয়ে ভারতে এলেন তারা ফিরে গেলেন কিনা কে করবে তার খোঁজ? বিদেশি পাসপোর্ট এ ভারতে এসে ধর্মীয়সমাবেশ কি সাংবিধানিক? কি করে সম্ভব তাদের আর খুঁজে বের করা? যারা নিখোঁজ তারাই বা কোথায় গেলেন? উঠছেপ্রশ্ন।শনিবার রাত পর্যন্ত রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত খবর অনুযায়ী রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪৯। তিদিনবেড়েই চলেছে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা।কারা করছেন ধর্মীয় সমাবেশ কোন কিছুকে তোয়াক্কা না করে? কারা দিচ্ছেন ভগবান তুল্য ডাক্তারের গায়ে থুথু? কারাদিচ্ছেন করোনা ভাইরাস কে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি? কাড়া করছেন আঘাত পুলিশকে মেটিয়াব্রুজে? সংখ্যা লঘুর আড়ালেকারা হয়ে উঠছেন বেপরোয়া? মালদা জেলার সুজাপুর, কালিয়াচক, মুরশিদাবাদ জেলার কাঁদি, কুলি এইসকল জায়গায় কিলক ডাউন নেই? প্রশাসনিক তৎপরতা কি শুধুমাত্র দেখাবার একটি প্রকাশ? কেন পুলিশী লাঠি নিষ্ক্রিয় সেইসব অঞ্চলে? উত্তরসকলের জানা হলেও মুখ বন্ধ সবার কারন উত্তর দিলেই নাকি সাম্প্রদায়িক এর তকমা দেওয়া হবে। কিন্তু কেন? এই দেশ এবাক স্বাধীনতা কে মান্যতা দেওয়া হলে স্পষ্ট বক্তাকে কেন সাম্প্রদায়িক বলা হবে? আজ এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েকেন সংখ্যালঘুর বিচার ? জেলা ও রাজ্য স্তরে কেন বারবার উঠে আসছে একই ছবি? ধর্মের এর মূল্যায়ন হোক জীবনের
নিরিখে। হিন্দু মুসলিম সকলে নিজের ধর্মের পালন করুক কারোর জীবনের স্বার্থে আঘাত না করে। প্রশাসনিক কঠোরতাপ্রকাশ পাক জাতি ধর্মের তোয়াক্কা না করে।হিন্দু মুসলিম শিখ জৈন আমারা সকলে ভারতীয়। আমরা জাতি ধর্মের ভেদাভেদ জন্মগত শিখিনি। আমাদের শেখানোহয়েছে। শিখিয়েছেন কিছু স্বার্থপর মানুষ। কিছু পাইয়ে দেওয়ার লোভে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছেন তাড়াই। আমরা চাই একটা
সুস্থ পরিবেশ ফিরে পেতে যেখানে আবার সেই গান আমদের স্বস্তি যোগাবে “মোরা এক বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু মুসলমান”

Loading...