বাড়ি রাজ্য হাওড়া আতঙ্ক দুর করতে সেলুনে মাস্ক, সেনিটাইজার,ভয় কাটছে হাওড়ার বাসিন্দাদের

আতঙ্ক দুর করতে সেলুনে মাস্ক, সেনিটাইজার,ভয় কাটছে হাওড়ার বাসিন্দাদের

71
0

লকডাউন শিথিল হতেই পথে বেরিয়ে পড়েছেন সাধারন মানুষ। তবে অনেকেরই এখোনো সেলুন ভীতি যায়নি। তাই মানুষ যাতে শেলুনে চুল কাটতে কোনো রকম অস্বস্তিতে না পড়ে তাই খরিদ্দারদের সুবিধা মতো হাওড়ার নামী শেলুনগুলিতে রাখা হয়েছে একাধিক জীবানুমুক্তকরনের ব্যাবস্থা। মধ্য হাওড়ার একটি সেলুনে গিয়ে দেখা গেল সেলুনে ঢোকার মুখেই প্রথমে দেওয়া হচ্ছে খরিদ্দারের হাতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। তারপর গোটা শরির স্যানিটাইজার স্প্রে করে তবে সেলুনে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। এরপর খরিদ্দারের সামনে কাঁচি ও খুর স্যানিটাইজার করা হচ্ছে। চুল কাটার জন্যে গায়ে ঢাকা দেওয়ার জন্যে প্রত্যেকের জন্যে রাখা হয়েছে পাতলা নতুন কাপড়। চুক কাটার পর সেই কাপড় অন্য কারো জন্যে ব্যাবহার না করে তা ফেলে দেওয়া হচ্ছে। তবে স্যানিটাইজারের জন্যে ১০ টাকা ও নতুন কাপড় দেওয়ার জন্যে ২০ টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হচ্ছে খরিদ্দারের কাছ থেকে। এছাড়া যারা চুল কাটছেন তারাও যাতে খরিদ্দারের মাধ্যমে করোনা ছড়িয়ে পড়তে না পারে তার জন্যেও সবরকম জীবানুমুক্তকরনের প্রস্তুতি নিয়ে তবে চুল কাটছেন। মধ্য হাওড়ার এক ক্ষৌরকার রবিন দাস বলেন,শুধু যে খরিদ্দারের ভয় আছে করোনা ছড়ানোর তা নয়। তারা যারা চুল কাটছেন তাদের ভয়টা আরো বেশি।তাই তার সেলুনে যে আরও দুজন কর্মচারী চুল কাটছেন তাদেরও সবরকম জীবানু মুক্তকরনের ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক ক্ষৌরকার মাস্ক এর পাশাপাশি হেড মাস্ক ব্যাবহার করে তারা চুল কাটছেন। পাপড়ি চক্রবর্তী নামে এক বাসিন্দা এদিন এক বিউটি পার্লারে এসেছিলেন। তিনি বলেন,যেহেতু সেলুন ও পার্লার থেকে ছড়ানোর সম্ভবনা বেশি শোনা যাচ্ছিল তাই তিনি পার্লারে আসতে ভয় পাচ্ছিলেন।কিন্তু যেভাবে চুল বড়ো হয়ে গিয়েছিল পার্লারে না গিয়েও উপায় নেই।তাই একরকম বাধ্য হয়েই বুধবার পার্লারে আসেন।তিনি বলেন পার্লারে এসে তার সব ভীতি চলে গেছে৷ জীবানুমুক্তকরনের সব রকম ব্যাবস্থা রয়েছে পার্লারে। এমনকি যিনি চুল কাটছেন তিনিও মুখে মাস্ক,পরে স্যানিটাইজার ব্যাবহার করে যতটা সম্ভব দুরত্ব রেখে কাজ করছেন। তাই এখন নির্দিধায় তিনি পার্লারে আসতে পারছেন।আর এক বাসিন্দা বাপ্পা সাউ বলেন,সেলুনে যাওয়া ছাড়া উপায়ও নেই। সেলুনে সবরকম জীবানুমুক্তকরনের ব্যাবস্থা  রয়েছে দেখে কিছুটা নির্ভয়ে যেতে পারছেন। তিনি বলেন,বাজার হাটে যেভাবে মানুষ সামাজিক দুরত্ব না মেনে মেলামেশা করছেন সেই তুলনায় সেলুন বরং নিরাপদ মনে হচ্ছে।হাওড়া শহরে কয়েক হাজার শেলুন রয়েছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে।এখোনো লোকাল ট্রেন চলাচল শুরু না হওয়ায় অনেক ক্ষৌরকার এখোনো আসতে পারেনি। ফলে অনেক সেলুন ও বিউটি পার্লার এখোনো খোলা হয়নি বিভিন্ন জায়গায়।ফলে যে কটি সেলুন খোলা আছে সেখানে ভীড় বাড়ছে প্রতিদিন। তাই করোনা আটকাতে সেলুন গুলিও সবরকম জীবানুমুক্তকরনের ব্যাবস্থা  করেছে। 

Loading...