বাড়ি অন্যান্য লাওখোয়া বন্যপ্ৰাণী অভয়ারণ্যে ‘বুঢ়াচাপরি শীতকালীন উৎসব’, খুলে গেছে প্রবেশদ্বার

লাওখোয়া বন্যপ্ৰাণী অভয়ারণ্যে ‘বুঢ়াচাপরি শীতকালীন উৎসব’, খুলে গেছে প্রবেশদ্বার

43
0

নগাঁও (অসম), ৯ নভেম্বর : দেশ বিদেশের পর্যটকদের আকর্ষিত করতে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে লাওখোয়া বুঢ়াচাপরি বন্যপ্ৰাণী অভয়ারণ্যে ‘বুঢ়াচাপরি শীতকালীন উৎসব’-এর আয়োজন করবে বন কর্তৃপক্ষ। এছাড়া অভয়ারণ্য দৰ্শনে আগত পৰ্যটকদের জন্য আধুনিক অস্থায়ী ক্যাম্প, স্পিড বোট, জিপ সাফারি ইত্যাদির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বিভাগীয় কৰ্তৃপক্ষ পরীক্ষামূলকভাবে ব্ৰহ্মপুত্ৰের পাড়ে বালুচরে একটি অস্থায়ী শিবির গড়া হয়ে গেছে। শনিবার এই খবর জানিয়েছেন কাজিরঙা জাতীয় উদ্যানের অধিকর্তা পি শিবকুমার।

প্রসঙ্গত, গতকাল শুক্রবার পৰ্যটকদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে মধ্য অসমের নগাঁও জেলার অন্তর্গত লাওখোয়া বুঢ়াচাপরি বন্যপ্ৰাণী অভয়ারণ্য। অভয়ারণ্যের মূল প্ৰবেশদ্বারে মাঙ্গলিক ক্রিয়ার পর নারিকেল ভেঙেছেন মুখ্য বন্যপ্ৰাণী তত্বাবধায়ক টিভি রেড্ডি। এছাড়া অসমের প্ৰধান মুখ্য বন সংরক্ষক (পিসিসিএফ) তথা বন বাহিনীর প্রধান এএম সিং ফিতা কেটে অভয়ারণ্যের দুয়ার পৰ্যটকদের জন্য খুলে দিয়েছেন। অনুষ্ঠানে ছিলেন কাজিরঙা জাতীয় উদ্যানের অধিকর্তা পি শিবকুমার-সহ বেশ কয়েকজন শীৰ্ষ বন আধিকারিক এবং বহু পর্যটক।
এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, নগাঁও জেলার বুক চিড়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র নদের দক্ষিণ দিকে ৭০.১৩ কিলোমিটার ব্যাপী অঞ্চল জুড়ে লাওখোয়া বুঢ়াচাপরি বন্যপ্ৰাণী অভয়ারণ্যের অবস্থান। এছাড়া এই অভয়ারণ্য কাজিরঙা থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার নিম্নাঞ্চল এবং ওরাং জাতীয় উদ্যান থেকে প্রায় ৩০ কিমি দূরে উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। লাওখোয়া বুঢ়াচাপরি অভয়ারণ্য অন্যান্য বিরল প্রজাতির বন্যজন্তু ছাড়াও ভারতীয় একশৃঙ্গের গণ্ডার এবং এশিয়াটিক জল মোষের জন্য বিখ্যাত। এছাড়া এখানে পাওয়া যায় রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, ভারতীয় চিতাবাঘ, ভারতীয় বুনো শূকর, সিবেট, চিতা-বিড়াল, হগ ডিয়ার প্রভৃতি।

Loading...