বাড়ি সম্পাদকীয় রিজার্ভব্যাঙ্ক

রিজার্ভব্যাঙ্ক

293
0

কেন্দ্রীয সরকার এখন ভারতীয রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে নিযন্ত্রণ করতে চায। কারণ যেভাবে বারবার কালো টাকা এবং নোট বন্দির কথা উঠে এসে কেন্দ্রীয সরকারকে বিব্রত করছে তাতে কেন্দ্রীয সরকার যথেষ্ট অস্তিত্বে। সেই কারণে পরোক্ষভাবে ভারতীয রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে নিযন্ত্রণ করতে সক্রিয হযেে মোদি সরকার। যার ফল পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কে গর্ভনর উর্জিত প্যাটেল। উর্জিত প্যাটেলের আমলেই নোট বাতিল হযেিল। নোট বাতিল করে আর্থিক কোনও লাভ হযেিল কিনা তা বলা যায না। তবে বহু ছোটখাটো ব্যবসাযীরা মার খেযেিল। ্প্রায এক বছর ধরে আর্থিক লেনদেন বন্ধ হযে গিযেিল নতুন নোটের অভাবে। ব্যবসার অবস্থা টলমল হযে গিযেিল। আর্থিক আদান ্প্রদান বন্ধ থাকার ফলে শেযার বাজার চাঙ্গা হতে পারেনি। নোট বাতিলটা যে উদ্দেশ্য নিযে করা হযেিল সেটা কিন্তু সফল হলো না। কালো টাকা উদ্ধার করা গেল না। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক পরিস্কার করে তার হিসাব দিযে দিযেে। অতিরিক্ত টাকা জমা পড়েনি। কালো টাকা উদ্ধার করার যে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল মোদি সরকার সেটা কিন্তু সঠিকভাবে ফল্প্রসূ হল না। নোট বাতিল হওযার ফলে ভুগতে হল সাধারণ মানুষকে। হযরানি শিকার হতে হলো। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ্প্রাক্তন গর্ভনর উর্জিত প্যাটেল কেন্দ্রীয সরকারের হাতে কাঠের পুতুল হযে থাকতে চান না সেটা পরিস্কার করে ৱুঝিযে দিলেন পদত্যাগ করে। তাঁর শূন্য স্থানে গর্ভনর হলেন শক্তিকান্ত দাস। তিনি তো একেবারে মোদির ভক্ত। রির্জাভ ব্যাঙ্কের নিযমানুসারে ব্যাঙ্ক পরিচালনা করতে হবে সেটা কিন্তু পরিস্কার। বহু ব্যাঙ্ক এখন ঠিক মতো ব্যবসা করতে পারছে না। ্প্রাক্তন রির্জাভ ব্যাঙ্কের গর্ভনর উর্জিত প্যাটেল বলেছিলেন ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং অতি ক্ষুদ্র ব্যবসাযিদের ঋণ দিতে হবে। শুধুমাত্র বহুজাতিক শিল্পকে ঋণ দিলেই দেশের আর্থিক উন্নতি লাভ সম্ভব নয। সবাইতে ঋণ দেওযার সুযোগ করে দিতে হবে। ব্যাঙ্কের টাকা খেযে নিচ্ছে বহুজাতিক শিল্পপতিরা। ভারতীয রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বিদেশি ্প্রভাব থেকে মুক্ত করতে হবে। অশ্বিনী মহাজন সেই চেষ্টা করে চলেছেন। এর ্প্রধান মন্ত্রদাতা হচ্ছেন স্বামীনাথন গুরুমূর্তি। বর্তমান রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গর্ভনর শক্তিকান্ত দাসের সঙ্গে স্বামীনাথন গুরুমূর্তির মিল রযেে। এরা অর্থনীতির ছাত্র নন। কিন্তু অর্থনীতির কর্ণধার। নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিযেিল এই দুইজন এবং নোট বাতিলকে সঠিক পন্থা বলে গ্রহণ করে ্প্রচারকার‌্য চালায়। এমনকী নোট বাতিলের এক বছর পূর্তিতে টু্যইটও পর‌্যন্ত করেছিলেন। ভারতীয রির্জাভ ব্যাঙ্ক যেভাবে দেশের আর্থিক টালমাটাল অবস্থাকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে শুরু করে দিযেে সেটা কিন্তু গ্রীস দেশের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক পারেনি। ইউরোপের আর্থিক অবস্থায খারাপ হলেও ভারতীয আর্থিক অবস্থা সেই সমযে ভালোর দিকে ছিল। তার একটি মাত্র কারণ হচ্ছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক শক্ত হাতে আর্থিক হাল ধরেছিল। এটা ভারতীয রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গর্ভনরদের কৃতিত্ব বলা যেতেই পারে। সেই আরবিআইকে এখন সরকার কব্জা করতে চাইছে।

Loading...