বাড়ি কলকাতা রবীন্দ্র সরোবরের দু’টি দরজার তালা ভেঙে ফেলল বহিরাগতরা, ছট পুজোর দিন উত্তেজনা

রবীন্দ্র সরোবরের দু’টি দরজার তালা ভেঙে ফেলল বহিরাগতরা, ছট পুজোর দিন উত্তেজনা

26
0

 কলকাতা, ২ নভেম্বর : ছট পুজোর সকালে রবীন্দ্র সরোবরের দু’টি দরজার তালা ভাঙল বহিরাগতরা। অভিযোগ, প্রাতঃভ্রমণকারীদের গালিগালাজ করে শনিবার সকালে রবীন্দ্র সরোবরের দু’টি দরজার তালা ভাঙে বহিরাগতরা। পরিবেশকর্মী এবং রবীন্দ্র সরোবর সংরক্ষণ কমিটির সঙ্গে যুক্ত সোমেন্দ্র মোহন ঘোষ ‘হিন্দুস্থান সমাচার’-কে বলেন, “সরোবরের একাধিক গেটে ঝামেলা হয়েছে। পুলিশি নিরাপত্তার অভাবেই এমন ঘটনা ঘটেছে।” পরিবেশকর্মীদের দাবি ছিল, কোনওভাবেই ছট পুজো রবীন্দ্র সরোবরে করতে দেওয়া যাবে না। পরিবেশ কর্মীদের দাবি মেনে দক্ষিণ কলকাতার এই বিখ্যাত সরোবরে ছট পুজো করা যাবে না বলেই নির্দেশ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রীয় বিহারি সমাজের সভাপতি মণিপ্রসাদ সিং ‘হিন্দুস্থান সমাচার’-কে বলেন, “আমরা আবেদন করেছিলাম সবাই যেন সরকারি নির্দেশ মেনে চলেন। এর মধ্যে রাজনীতি ঢুকে গিয়েছে। সবাইকে তো আমরা সামলাতে পারব না! নিষ্ঠাবান বিহারিরা উপবাস করে হামলা করতে পারে না। তবে, দুপুরে আমি রবীন্দ্র সরোবরের অবস্থা দেখতে যাব।” আগেই পুলিশ-প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছিল, ৪০ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে রবীন্দ্র সরোবর। যা একেবারে নজিরবিহীন। শনিবার ছটপুজো। ফলে যাতে কোনওভাবে রবীন্দ্র সরোবরকে ব্যবহার না করা হয় তাই এই নির্দেশ। ঘোষণা হয়, শুক্রবার রাত আটটা থেকে রবিবার বেলা বারোটা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে রবীন্দ্র সরোবর। সরোবরের বিভিন্ন দিকের মোট ১৫টি প্রবেশ পথে এই নির্দেশিকা লাগানো হয়। কারণ, গ্রিন ট্রাইবুন্যালের কড়া নির্দেশ ছটে ব্যবহার করা যাবে না সরোবর। সেই অনুযায়ী রবীন্দ্র সরোবরে ছট পুজো হবে না জানিয়ে নোটিসও দেয় কলকাতা পুরসভা। অন্যান্য কোনও ঘাটে ছট পুজো করা যেতে পারে তাও উল্লেখ করে দেওয়া হয় ওই নোটিসে। এমনকি শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত সাধারণ মানুষের পার্কে প্রবেশের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কিন্তু, শনিবার সকাল থেকে এই নিষেধাজ্ঞাকে কেন্দ্র করেই তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ, জোর করে একদল যুবক রবীন্দ্র সরোবরের তিন নম্বর এবং মাদার ডেয়ারি গেটের তালা ভেঙে দেয়। ছিঁড়ে ফেলা হয় কলকাতা পুরসভার নিষেধাজ্ঞার নোটিসও। প্রাতঃভ্রমণকারীরা বাধা দিতে যায় তাতে। এ নিয়েও হয় বচসা, উত্তেজনা। 

Loading...