বাড়ি সম্পাদকীয় মেলবোর্ন ইতিহাসে ভারত

মেলবোর্ন ইতিহাসে ভারত

326
0

মেবোর্ন হচ্ছে ক্রিকেট ইতিহাসে একটি অন্যতম উজ্জ্বলতম নক্ষত্র। ব্রিটিশদের কাছে যেমন লর্ডস ঠিক তেমনি অস্ট্রেলিযানদের কাছে মেলবোর্ন। কলকাতাবাসীদের কাছে ইডেন উদ্যান যেমন গর্ব করার বিষয ঠিক তেমনি অস্ট্রেলিযানরা মেলবোর্ন নিযে গর্ব অনুভব করতে পারে। এই মাঠে খেলেছেন ক্রিকেটের কিংবদন্তি খেলোযাড়েরা। তার মধ্যে রযেেন ডন ব্রাডম্যান, বিল পন্সফোর্ড, নিল হার্ভি এবং ডেনিস লিলি। তাঁদের মূর্তিও রযেে এই স্টেডিযামে। সেখানে ভারত যে ইতিহাস রচনা করলো সেটাকে সহজভাবে হজম করতে বেশ সময লাগবে অস্ট্রেলিযান ক্রিকেটারদের। তারা যে এভাবে ভারতীয ক্রিকেট দলের কাছে আত্মসমর্পন করতে সেটা কিন্তু ভাবতেপারেনি। সমগ্র অস্ট্রেলিযান ক্রিকেট্প্রেমীরা ব্যথিত। 137 রানে জিতে গেল ভারতের কোহালি বাহিনী। শেষ টেস্ট হবে সিডনিতে। 2-1 তে গিযে গেল ভারতের ক্রিকেট বাহিনী। খেলা নয যেন একটা যুদ্ধ হযে গেল বলা যেতে পারে। ক্রিকেট খেলাতে হযতো রাইফেল ৱুলেট নেই। কিন্তু ্প্রতিটি বল এক একটি ৱুলেট বলা যেতে পারে। ্প্রতিটি ব্যাটিং একটি কামানের গোলা বলা যেতে পারে। মেলবোর্নে ভারত শেষবার জিতে ছিল 1982 সালে। তখন কিন্তু কোহলি জন্ম গ্রহণ করেনি। তখন ভারতের অধিনাযক ছিলেন সুনীল গাভাস্কর। অস্ট্রেলিযার নেতৃত্ব দিযেিলেন ডেনিস লিলি। ভারত এবং অস্ট্রেলিযার ক্রিকেট দলের মধ্যে ঝামেলা হওযার ফলে এই টেস্ট ক্রিকেট খেলাটি বিতর্কিত। কপিল দেব সেই সমযে ভারতকে পাঁচ ইউকেটে জিতে দিযেিলেন অসাধারণ বোলিং করে। 1982 সালের পর আবার 2018 সালে ভারত জিতল টেস্ট ক্রিকেট। সে বার কপিল ভারত দলকে জিতিযে দেওযার যে দাযিত্ব গ্রহণ করেছিলেন এবারে যশ্প্রীত ৱুমরা। ব্যাটিংযে পূজারা সেরা বলে ক্রিকেট দর্শকদের কাছে জন্প্রিযতা লাভ করেছে। ৱুমরাই এখন বিশ্বের এক নম্বর সেরা ফাস্ট বোলার। ভারতের তেরাঙ্গা পতাকার সঙ্গে লড়াই করে পরাজিত হলো কাঙ্গারু। ইশান্ত শর্মাও ভালো বোলিং করেছেন। ভারতের ্প্রতিটি খোলাযাড় ম্যাচটি জেতার জন্য মানসিক ্প্রস্তুতি আগেই গ্রহণ করে ফেলেছিল। অধিনাযক বিরাট কোহলি বলেন, এটা ভারতের জয। এটা দলের বিরাট সাফল্য। ভারত যে ্প্রযোজন হলে আবার সেরা স্থানটি দখল করে নিতে পারে তার ্প্রমাণ দিল।  ….পৃষ্টা..2 ব্রিটিশদের চেযে অস্ট্রেলিযা়নরা ক্রিকেটে অহংটা একটু বেশি। নাক উঁচু করে চলে। তারা বলে যে অস্ট্রেলিযা হচ্ছে ক্রিকেটে খেলার ্প্রকৃত রাজধানি যা ব্রিটিশরা কোনও সমযে সেটা দাবি করে না। যদিও ব্রিটিশরা এই খেলাটি উদ্ভাবক । কিন্তু অস্ট্রেলিযানদের মতো নাক উঁচু করে চলে না ব্রিটিশরা। সেই সমযে ভারতীয ক্রিকেট ্প্রেমীদের মনে পড়ে যাচ্ছিল যে 11 টি টেস্ট জিতে ছিলেন অধিনাযক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায। তিনি ্প্রথম অধিনাযক যিনি আফ্রিকা, ইংল্যাণ্ড এবং অস্ট্রেলিযায টেস্টে ভারতকে জিতিযেিলেন। ভারতীয মুখ্য কোচ রবি শাস্ত্রী ভারতীয ক্রিকেটটারদেৰ এই ধরনের উল্লেখযোগ্য  মানসিকতা ্প্রশংসা করেন। যে করেই হোক ম্যাচ জিততে হবে এই মানসিকতা নিযে ভারতের ক্রিকেট দল মেলবোর্ন মাঠে খেলতে নেমে ছিল। জযে ব্যাপারে ্প্রথম থেকেই ভারতীয দল আশাবাদী ছিল। ফলে জযটা আসা শুধু সমযে অপেক্ষা ছিল মাত্র। অধিনাযক কোহলি ঠিক ভারতের ্প্রাক্তন অধিনাযক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যাযে মতো ইতিহাস রচনা করার দিকে এগিযে যেতে শুরু করে দিযেেন। তিনি যে জযে ধারাকে কোথায নিযে গিযে থামাবেন তা বোঝা খুবই মুশকিল। সেটা ভবিষ্যতই বলবে। ক্রিকেট দুনিযা থেকে ভারতকে একটি সোনার ইতিহাস দেবে বলে অনেকেই বিশ্বাস করতে শুরু করে দিযেে। অতীতে ভারতের অধিনাযকেরা যা করতে পারেনি সেটা করে দেখাবেন বর্তমান ভারতের ক্রিকেট অধিনাযক বিরাট কোহলি। ভারতের জয দেখে একটি কবিতা রচনা করে ফেললেন কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। সিডনিতে টেস্ট জয করার দিকে বড় ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে আশা রাখেন অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। অনুষ্কা শর্মা টু্যইট করে লিখেছেন,‘এটা ঐতিহাসিক জয’। ্প্রশংসা ভেসে এসেছে অস্ট্রেলিযা থেকে শুরু করে ইংল্যাণ্ড থেকেও। অস্ট্রেলিযার ্প্রাক্তন অধিনাযক অ্যালান বর্ডার বলেছেন, ভারতের ক্রিকেট এখন যে অবস্থায রযেে তাতে অস্ট্রেলিযা, নিউজিল্যাণ্ড, দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে টক্কর নিতে পারে। ভারতের হাতে এখন দারুন ফাস্ট বোলার রযেে। বিদেশের মাটিতে ভারতীয দল এখন বিশ্ব সেরা বলা যেতে পারে। 

Loading...