বাড়ি সম্পাদকীয় বিরোধীদের বিক্ষোভ সমাবেশ

বিরোধীদের বিক্ষোভ সমাবেশ

451
0

বামপন্থী দলের সভা সমাবেশে এখন ভালোই ভিড় হচ্ছে। কিন্তু ভিড় দেখে সন্তুষ্ট হতে পারছে না নেতারা। তারা এই ভিড় দেখে রাজনৈতিক বিচার বিশ্লেষন করতে পারছে না। ভিড় হলেও যে ভোট তাদের তহবিলে জমা পড়বে সেটা বোঝার উপায নেই। একন পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের হাওযা। সেই হাওযা কেড়ে নেওযা যে সম্ভব নয সেটা অনুমান করতে পারছে বাম দলের নেতারা। যে ধরনের রাজনৈতিক ভুল করে গদিচু্যত হযেিল বামপন্থীরা সেটা কিন্তু তাদের কাছে বিরাট ক্ষত বলা যেতে পারে। রাজ্যের উন্নযনের জন্য বহু কাজ ছিল। টাটার গাড়ির কারখানা করতে গিযে কৃষকদের জমি কেড়ে নিযে যেভাবে শিল্প করার মানসিকতা গ্রহণ করেছিল বামপন্থীরা সেটা যে ভুল ছিল তা পরবর্তীকালে স্বীকার করে নিযেে। টাটাদের শিল্প হলে রাজ্যের সুবিধা হলে সেই বার্তা ঠিক মতো জনগণকে পেঁছে দিতে পারেনি বলেই 1911 সালের নির্বাচনে বিরাট পরাজয ঘটে। বহু বামপন্থী সমর্থকেরা তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দিযেিল। সারা পশ্চিমবঙ্গের কৃষকেরা ভয পেযে গিযেিল যে তাদের জমি কেড়ে আবার সেখানে শিল্প গড়ে তোলা হবে। জমি হারানোর ভয পেযেিল গ্রাম বাংলার মানুষেরা। সিঙ্গুরের যেভাবে পুলিশ নামিযে বাসিন্দাদের ওপরে অত্যাচার করেছিল সেটা একটি দলিল হযে থাকবে। সেই সমযে রাজনৈতিক পরিবর্তন চেযেিল পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দারা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায রাজনৈতিক চালের কাছে একেবারে পরাস্ত হযেিল বামপন্থীরা। সিপিএম এর বহু সিদ্ধান্তের ওপরে একেবারে অসন্তুষ্ট ছিল বাম দলের নেতারা। ফরওযার্ড ব্লক আরএসপি নেতারা এই নিযে বারবার ্প্রতিবাদ করেছে। কিন্তু দাদার ওপরে কোনও কথা বলতে সাহস পাযনি। দাদা সিপিএম সেই সমযে যা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল ফরওযার্ড ব্লক এবং আরএসপি তা মনে ্প্রাণে গ্রহণ করে নিলেও ভেতরে ভেতরে বেশ ক্ষুদ্ধ ছিল। রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী সেই ক্ষোভকে কাজে লাগিযে পশ্চিমবঙ্গের মসনদ দখল করে নিযেিলেন। এখন বাম দলের নেতারা বিক্ষোভ সমাবেশ করে সরকারপক্ষকে ভয দেখালেও সেটা যে কাগুজে বাঘ তা মনে করে তৃণমূল কংগ্রেস। কংগ্রেসের সেই শক্তি নেই। কংগ্রেস দলের হেভিওযে নেতারা এখন তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছেন। তারা এখন মুখ্যমন্ত্রীর দযাতে মন্ত্রী পদ দখল করে রযেেন। ফলে কংগ্রেস দলকে চাঙ্গা হতে বেশ সময লাগবে। কংগ্রেস দলের বর্তমান সভাপতি সোমেন মিত্র দক্ষ সংগঠক এই বিষযে কোনও সংশয নেই। কিন্তু হলে কী হবে? কাজের কাজ কিছুই হবে না। শুধু বিক্ষোভ মিছিল হবে। সাধারণ মানুষের ভোট ব্যাঙ্ক কী তাদের অনুকূলে আসবে? সেটাই এখন বড় ্প্রশ্ন হযে দেখা দিযেে। এদিকে সিপিএম দল এই নিযে ্প্রমোদ দাশগুপ্ত ভবনে একটি সভা ডেকেছে। আবার বিজেপি রথযাত্রা বের করার সিদ্ধান্তে অটল। গণতন্ত্র বাঁচাওকে কেন্দ্র করে রথযাত্রা বের করছে বিজেপি। তিনটি জাযগা থেকে রথ বের হতে পারে বলে জানতে পারা গিযেে। কিন্তু রথযাত্রা গেঁড়ো বেঁধে গিযেে আদালত। কোনও  রকম সাম্প্রদাযিক হানাহানি যাতে না হয তার দিকে বিশেষ নজর দিতে বলেছে আদালত পুলিশ ্প্রশাসনকে। কংগ্রেস দল এখন আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে সোমেন মিত্রের হাত ধরে। কিন্তু মমতা চালের কাছে সবাই এখন কিস্তিমাতে হেরে যাচ্ছে।

Loading...