বাড়ি কলকাতা প্রয়াত প্রাক্তন সিপিআই সাংসদ গুরুদাস দাশগুপ্ত, শোকাহত রাজনৈতিক মহল

প্রয়াত প্রাক্তন সিপিআই সাংসদ গুরুদাস দাশগুপ্ত, শোকাহত রাজনৈতিক মহল

40
0

কলকাতা, ৩১ অক্টোবর : দীর্ঘ রোগভোগের পর জীবনাবসান। প্রয়াত হলেন প্রাক্তন সিপিআই সাংসদ ও বর্ষীয়ান ট্রেড ইউনিয়ন নেতা গুরুদাস দাশগুপ্ত। বৃহস্পতিবার সকাল ছ’টা নাগাদ কলকাতার বাড়িতে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর স্ত্রী ও এক মেয়ে রয়েছেন। মৃত্যুকালে গুরুদাসবাবুর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। গত আগস্ট মাসেই চেতলার বাড়ির লনে হাঁটতে গিয়ে পড়ে যান প্রবীণ সিপিআই নেতা গুরুদাস দাশগুপ্ত। ভর্তি করা হয়েছিল ই এম বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে জানা যায়, মৃদু স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন গুরুদাসবাবু। সিওপিডি-জনিত শ্বাসকষ্ট ও হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা তাঁর পুরনো। কিডনির সমস্যাতেও ভুগছিলেন তিনি। অসুস্থতাজনিত কারণেই প্রাণ হারালেন প্রাক্তন সিপিআই সাংসদ ও বর্ষীয়ান ট্রেড ইউনিয়ন নেতা গুরুদাস দাশগুপ্ত। উল্লেখ্য, টানা ১৭ বছর এআইটিইউসি-র শীর্ষ পদে থাকার পরে অব্যাহতি নিয়েছিলেন বর্ষীয়ান সিপিআই নেতা গুরুদাস দাশগুপ্ত। এ দেশে কমিউনিস্ট পার্টির শ্রমিক সংগঠনের শীর্ষ পদে তিনিই দীর্ঘতম মেয়াদের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গুরুদাস দাশগুপ্তর প্রয়াণে শোকাহত রাজনৈতিক মহল। গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লিখেছেন, ‘‘সাংসদ এবং শ্রমিক সংগঠনের নেতা হিসেবে ওঁনার অবদান মনে রাখবে দেশ।’’ শোকজ্ঞাপন করে টুইট করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল-সহ প্রায় সব দলের রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীরা। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গ সিপিএম-এর তরফেও শোকবার্তা জানিয়ে টুইট করা হয়েছে। গুরুদাস দাশগুপ্তের জন্ম ১৯৩৬ সালে, বাংলাদেশের বরিশালে। বাবার নাম ছিল দুর্গাপ্রসন্ন দাশগুপ্ত এবং মায়ের নাম ছিল নীহার দেবী। ১৯৬৫ সালে জয়শ্রী দাশগুপ্তের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। সংসদীয় রাজনীতিতে গুরুদাস দাশগুপ্তর প্রবেশ ১৯৮৫ সালে। ওই বছরই রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৪ সালে পাঁশকুড়া থেকে জিতে লোকসভার সাংসদ হন। পরের বার লোকসভা নির্বাচনে ঘাটাল থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। লোকসভা এবং রাজ্যসভা মিলিয়ে তিনি পাঁচ বারের সাংসদ। 

Loading...