বাড়ি প্রথম পৃষ্ঠা জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের কুর্নিশ প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, ‘কলঙ্কময় সময়’ আখ্যা নাড্ডার

জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের কুর্নিশ প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, ‘কলঙ্কময় সময়’ আখ্যা নাড্ডার

106
0

নয়াদিল্লি, ২৫ জুন : ভারতবর্ষের তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন দেশজুড়ে ঘোষিত হয়েছিল জরুরি অবস্থা। এই স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে গণতন্ত্রের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত করতে যাঁরা আন্দোলনে নেমেছিলেন তাঁদের কুর্নিশ জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মঙ্গলবার মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে নিজের হ্যান্ডেল থেকে টুইট করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লিখেছেন, “সেই মহান ব্যক্তিত্বদের সম্মান জানায় ভারত যাঁরা সাহসের সঙ্গে প্রবলভাবে জরুরি অবস্থার প্রতিরোধ করেছিলেন। ভারতের গণতান্ত্রিক নীতি সফলভাবে একটি স্বৈরতান্ত্রিক মানসিকতার ওপর প্রভাব বিস্তার করেছিল।” জরুরি অবস্থা চলাকালীন কিভাবে সংবাদপত্র বন্ধ হয়ে যায় এবং দেশের নাগরিকরা তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন সেকথা স্মরণ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ টুইট করেছেন, “লক্ষ লক্ষ দেশপ্রেমী মানুষ গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছিলেন। আমি তাঁদের কুর্নিশ জানাই।”১৯৭৫ সালের ২৫ জুন ভারতবর্ষের তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন এবং এই জরুরি অবস্থা (ইমার্জেন্সি) চলেছিল ১৯৭৭ সালের ২১ মার্চ পর্যন্ত। ঐতিহাসিক এই ঘটনাকে একটি ‘কলঙ্কময় সময়’ বলে উল্লেখ করে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কার্যকরী সভাপতি জে পি নাড্ডা বলেছেন, “ক্ষমতায় থাকার জন্য, ১৯৭৫ সালে আজকের দিনে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল কংগ্রেস পার্টি। জরুরি অবস্থার প্রতিরোধ আন্দোলনে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া ভারতীয় জন সঙ্ঘ ও আরএসএস-এর সেই দুঃসাহসী নায়কদের কৃতজ্ঞতার সঙ্গে শ্রদ্ধা জানায় ভারতবাসী।” প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এদিন টুইট করে জানিয়েছেন, “ভারতের ইতিহাসের একটি অন্ধকারময় অধ্যায় ছিল ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন ঘোষিত হওয়া জরুরি অবস্থা এবং তার পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ। আজকের দিনে, আমাদের প্রতিষ্ঠান এবং সংবিধানের নীতিনিষ্ঠা বজায় রাখার গুরুত্বের কথা আমাদের সবসময় মনে রাখা উচিত।

Loading...