বাড়ি সম্পাদকীয় কলকাতার চিনারা: রবীন্দ্রকুমার শীল

কলকাতার চিনারা: রবীন্দ্রকুমার শীল

97
0

: কলকাতায চিনারা বসবাস করে। টেরিটি বাজর থেকে শুরু করে ট্যাংরা অঞ্চলে চিনাদের দেখতে পাওযা যায। কলকাতার চিনারা আবার কালীভক্ত হয। তারা কালী পুজোর সমযে ফিরিঙ্গি কালী বাড়িতে গিযে ুজো দেয। ট্যাংরাতে রযেে চিনা কালী বাড়ি। সেখানাকার পুরোহিত একজন চিনা। চিনা বিশ্বাস করে যে কালী এসেছে তিব্বত থেকে। তিব্বতের ্প্রাচীন ঠাকুর হচ্ছে কালী। তখনও কিন্তু সেখানে বৌদ্ধ ধর্ম ্প্রচারিত হযনি। তারপরে তিব্বতে বৌদ্ধ ধর্মে ্প্রসার লাভ করলে সেখানে মূর্তি পুজো একেবারে বন্ধ হযে যায। নেপালের বেশ কিছু জাযগায এখনও কযেটি কালী মন্দির রযেে। কালী ভক্ত চিনাদের নিজস্ব বৌদ্ধ মন্দির রযেে। আবার চিনাদের দেবী কুন-ইযাম এবং কুযান-ইন নিযে বহু মন্দির তৈরি হযেে কলকাতায। তার মধ্যে একটি মন্দির রযেে ছাতাওযালা গলিতে। টেরিটি বাজারে 1882 সালে এই মন্দির ্প্রতিষ্ঠা লাভ করে। চিনা সুতোর কারিগররা এই মন্দিরটি ্প্রতিষ্ঠা করেছিল। টেরিটি বাজারের কাছে আর একট চিনা মন্দির রযেে। সেই মন্দিরটি তৈরি করে চিনা কাঠের মিস্ত্রিরা।  চিনাদের দেবী কুন-ইযাম এবং কুযান-ইন শিশুদের রক্ষাকারিনী দেবী রূপেও পূজিত হন। ব্ল্যাকবার্ন চিনা মন্দিরটি ্প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল 1908 সালে। কলকাতার হাইড লেনে একটি চিনা মন্দির রযেে। এখানে তিনটি দেব দেবীর মূর্তি রযেে। 1820 সালে এই মন্দিরটি ্প্রতিষ্ঠা লাভ করে। দেব দেবীরা হলেন কোযান-তাই, সি ফো ও ছই ছই। এছাড়া ৱুদ্ধদেবের মূর্তি রযেে এখানে। কলকাতায চিনারা ধীরে ধীরে ভারতীয সংস্ৃ্কতির সঙ্গে মিশে যেতে শুরু করে দিযেে। তাদের সন্তানরা এখন ভারতীয বলে পরিচিত হচ্ছে। আগে চিনারা ভারতের দ্বিতীয শ্রেনির নাগরিক ছিল। কিন্তু এখন সেই দ্বিতীয শ্রেনির নাগরিকরা ্প্রায মারা গিযেে বা তাদের বযস নব্বই পার করে গিযেে। কিন্তু তাদের সন্তানরা যেহেতু ভারতবর্ষে জন্ম গ্রহণ করেছে তাই তারা ভারতীয হিসাবে পরিগণত হচ্ছে। এখন তারা ভোটাধিকার লাভ করছে।  

Loading...