বাড়ি অন্যান্য উৎসবের শেষ মরসুমে একে অপরকে টেক্কা দিতে তৈরি চন্দননগর

উৎসবের শেষ মরসুমে একে অপরকে টেক্কা দিতে তৈরি চন্দননগর

64
0


হুগলি, ৩১ অক্টোবর :শারদীয়া দীপাবলি র পর এবার ঐতিহ্যের শহরের পালা। আলো নাকি থিম কে এগিয়ে কার থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে তার অস্তিত্ব জানান দেওয়ার পালা। তাই চুপিসারে নিজেদের সেরাটা তুলে ধরতে শেষ মুহুর্তের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে।চন্দননগরে প্রবেশের একেবারে প্রথমে মানকুন্ডু স্টেশনের সামনেই নতুনপাড়া বারোয়ারী পয়তাল্লিশ বছরে তাদের পুজো ভাবনা তীর্থযাত্রা। মেডিটেশন বা ধ্যানের মাধ্যমে মানুষ কিভাবে নিজেদের পরিবর্তন করতে পারে তা ফুটিয়ে তোলা হবে এখানকার মন্ডপে। এখান থেকে কয়েক পা এগিয়ে জিটি রোডের সংযোগ স্থলে তেমাথা বারোয়ারী।  চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রান কেন্দ্র বলা যায় এই পুজোকে। মন্ডপে বরাবরই ব্রাত্য এই পুজোর থিম “দেখুন মাথা উচু করে ”  কথাটার মধ্যেই বেশ কয়েকটি ঐতিহ্যের নিদর্শন ফুটিয়ে তুলতে চে্যেছেন এখাকার উদ্যোক্তারা। কারন মা জগদ্ধাত্রী র সাবেকি রূপ যেমন চন্দননগরের গর্বের, তেমনই মাথা উচু করে মাকে দেখার মর্মও সন্তান ই বোঝে। আবার খুব সাধারন ভাবে বললে চন্দননগর জগদ্ধাত্রী পুজোর সবচেয়ে বড় প্রতিমা সকলের হৃদয় কাড়ে আদি কাল থেকেই।  তাই শারদীয়ার আগে থেকে ই মা জগদ্ধাত্রীর কাঠামো বেঁধে পুজোর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন তেমাথার লোকজন।চন্দননগরে এবার জগদ্ধাত্রী পুজোর জুবলি বছরের ছড়াছড়ি।  তাই একে অপরকে টেক্কা দেওয়ার লড়াই ও অনেক বেশী। আর চন্দননগরের ঐতিহ্যকে কে যারা বিশ্বের দরবারে পৌছে দিয়েছেন সেই সংবাদ মাধ্যমও বাদ নেই পুজোর আঙ্গিক থেকে। পঞ্চাশ বছরে অম্বিকা এ্যথলেটিক ক্লাবের থিম তাই আমরা খবরে। পুরাতন যুগের পায়রা ওড়ানো থেকে  ডাক হরকরা টেলিগ্রাফ, টেলিফোন থেকে ছাপার হরফ, স্ক্রিন, টেলিভিশন থেকে হালের ওয়েব পোর্টাল,  সংবাদ পরিবেশনের যুগের পরিবর্তন ফুটে উঠছে  এখানকার পুজোতে।সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষ না বলে স্বর্নজ্জ্বল বর্ষ বলছেন হেলা পুকুর ধার বারোয়ারী র কর্মকর্তারা।  যদিও খুঁটি পুজো থেকে প্রভাতফেরি সব কিছুতেই নিজেদের অস্তিত্ব জানান ইতিমধ্যেই  দিয়েছেন এই কমিটির উদ্যোক্তারা। পঞ্চাশ বছরে তাই পঞ্চাশ কেজি সোনার গহনা পড়িয়ে নজর কাড়তে তৈরী হেলা পুকুর ধার। জগদ্ধাত্রী প্রতিমার বর্ন পরিবর্তন মা হলেও এবার সেই প্রথাকেও ভাঙতে চলেছেন এখানকার বারোয়ারী র কর্তারা।

Loading...